আশাশুনির খলিসানি গ্রামে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে সাড়ে ৫ ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ ২৫ হাজার টাকা নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দু'জনকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে শোভনালী ইউনিয়নের খলিসানি গ্রামের সাধন চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে মৎস্য ব্যবসায়ী তারক বিশ্বাসের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে।
তারক বিশ্বাস জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় রাতের খাবার খেয়ে আমার মেয়ে তাপসী বিশ্বাস অস্বস্তি হচ্ছে বলে নবজাতক শিশুকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। আমি ও আমার স্ত্রী আরতি বিশ্বাস তার কিছু পরে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি আর কিছু জানিনা।
সাধন চন্দ্র বিশ্বাস জানান, রাত দুইটার দিকে দুর্বৃত্তরা যখন আমার ঘরে ঢুকে মালামাল লুট করতে থাকে আমি "কারা" জিজ্ঞাসা করায় তারা দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। পরে ছেলের (তারক) ঘরে গিয়ে দেখি তাকে অচেতন করে বারান্দায় চেয়ারে বসানো। বৌমা আরতি ও তার মেয়ে তাপসী অচেতন হয়ে পড়ে আছে। ঘরের সমস্ত জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। তাপসীর জ্ঞান ফিরে এলেও ছেলে বউকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুই দিন পর তাদের জ্ঞান ফিরলেও এখনও তারা পুরোপুরি সুস্থ নয়। দুর্বৃত্তরা তাপসীর প্রায় সাড়ে ৩ ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার ও ছেলে বউয়ের প্রায় ২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ২৫ হাজার টাকা ও বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে গেছে।
এ ব্যাপারে আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ বিশ্বজিৎ কুমার জানান, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দু'জনকে আটক করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তবে খুব দ্রুত দুর্বৃত্তরা ধরা পড়বে বলে তিনি আসা ব্যক্ত করেন।