টিকে থাকার লড়াইয়ে ২৭তম মিনিটে ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার ব্যপারটা মানতেই পারছেন না চিলির খেলোয়াড়রা। ম্যাচ শেষে কলম্বিয়ান রেফারি উইলমার রোলদানের কড়া সমালোচনা করেছেন তারা। বাংলাদেশ সময় রোববার সকালের ম্যাচে কানাডার বিপক্ষে ম্যাচ ড্র করে কোপা আমেরিকা থেকে ছিটকে গেছে চিলি। দুইবারের চ্যাম্পিয়নরা দুটি পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ গ্রুপে হয়েছে তৃতীয়। কানাডাকে পেছনে ফেলতে জয় প্রয়োজন ছিল চিলির। দ্বাদশ মিনিটে এবং ২৭তম মিনিটে দুটি হলুদ কার্ড দেখেন ডিফেন্ডার সুয়াসো। বাকি সময় একজন কম নিয়ে খেলে দারুণ লড়াই করলেও কানাডার প্রতিরোধ ভাঙতে পারেনি ২০১৫ ও ২০১৬ সালের চ্যাম্পিয়নরা। রোলদান লাল কার্ড দেখানোর সময় তীব্র প্রতিবাদ জানান চিলির খেলোয়াড়রা। ম্যাচ শেষের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় রেফারিকে কাঠ গড়ায় তোলেন অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার আলেক্সিস সানচেস। “কনমেবলের আরেকটু দক্ষ হতে হবে এবং ইউরোপ থেকে শিখতে হবে। এটা কোনো অজুহাত নেয়, তবে এই ধরনের রেফারিং আপনাকে ক্ষুব্ধ করে তুলবে। একটি লাল কার্ড পুরো ম্যাচকে ধ্বংস করে দিয়েছে।” “বিদায় নেওয়ায় চিলির মানুষের কাছে আমি ক্ষমা চাইছি। তবে বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়ার জন্য আমরা সবকিছু করব।” এবারের কোপা আমেরিকায় তিন ম্যাচে একটিও গোল করতে পারেনি চিলি। বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ফিনিশিংয়ে ব্যর্থতা ভোগাচ্ছে তাদের। ৬ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে আছে আটে। গোল করতে পেরেছে কেবল তিনটি! কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে ক্লাওদিয়ো ব্রাভোদের সামনে। চোটের জন্য কানাডার বিপক্ষে খেলেননি অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষক। তিনি এক্সে (সাবেক টুইটারে) পঞ্চম মিনিটের একটি ভিডিও সামনে আনেন। সেটি দেখে মনে হয় রদ্রিগো এচেভেরিয়ার মুখে কনুই দিয়ে আঘাত করছেন মোইসে বম্বিটো। রেফারি সেটি দেখেননি, ভিএআরও তা পরীক্ষা করেনি। এ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন চিলি অধিনায়ক। “আজ ফুটবলে যে প্রযুক্তি বিদ্যমান তাতে কেউ এভাবে আপনাকে ধসিয়ে দিতে পারে, এটা অবিশ্বাস্য। এটা বোঝা খুবই কঠিন। এর বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা করা অসম্ভব। আমরা মাথা উঁচু করেই যাচ্ছি, আমরা সব কিছু দিয়েছি।”