আগের দিন ওমান অধিনায়ক বলেছিলেন, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লড়াই তাদের কাছে শুধু আরেকটি ম্যাচ। মাঠে নিজের চেয়ে বড় কেউ নেই বিধায় অস্ট্রেলিয়াকে অসাধারণ কিছু মানতে নারাজ ছিলেন আকিব ইলিয়াস। তবে ম্যাচে অনুমেয়ভাবেই দেখা গেছে ভিন্ন গল্প। পরাজয়ের পর এবার গণমাধ্যমকেই দায় দিচ্ছেন ওমান অধিনায়ক। ম্যাচের শুরুতে অবশ্য অধিনায়কের কথার প্রতিফলন কিছুটা ঘটায় ওমান। অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে চাপেই রাখে তারা। প্রথম ১০ ওভারে ৩ উইকেটে মাত্র ৫৬ রান করে অস্ট্রেলিয়া। ১৪ ওভারে দাঁড়ায় ৮৪ রান। সেখান থেকে শেষের ৬ ওভারে ৮৪ রান নিয়ে জয়ের পুঁজি পেয়ে যায় তারা। শুরুর ওই ১৪ ওভারের পর আর তেমন লড়াই করতে পারেনি ওমান। রান তাড়ায় শুরু থেকেই পেছাতে থাকে তারা। আয়ান খানের ৩৬ ও মেহরান খানের ২৭ রানের ক্যামিও ইনিংসে কোনোমতে একশ পেরিয়ে পরাজয়ের ব্যবধান কমায় ওমান। ৩৯ রানের জয় পায় শিরোপা পুনরুদ্ধারের অভিযানে নামা অস্ট্রেলিয়া। পরে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে করা মন্তব্যের কথা মনে করিয়ে দিলে সংবাদমাধ্যমকে দায় দেওয়ার চেষ্টা করেন ওমান অধিনায়ক। “গণমাধ্যমের ব্যাপারটা হলো, তারা ইতিবাচক জিনিসটা দেখায় না। তারা শুধু নেতিবাচকই দেখায়। অবশ্যই তারা সেরা ক্রিকেটার। আমরা ক্রিকেটার হিসেবে তাদের সম্মান করি, যেমনটা অন্যদেরও করি। কিন্তু যখন মাঠে নামি, তখন নিজেদের চেয়ে বড় কেউ নেই।” অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের ১৪তম ওভারে জীবন পান মার্কাস স্টয়নিস। তখন ১২ বলে ৭ রানে খেলছিলেন তিনি। বেঁচে যাওয়ার পর ৩৬ বলে ৬৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ওমানকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন পেস অলরাউন্ডার। ম্যাচ হারের পর ওই ক্যাচকেই বড় দায় দিলেন আকিব। “এই উইকেটগুলো ‘ট্রিকি।’ কারও জন্যই সহজ নয়। প্রথম ১৪-১৫ ওভারে ম্যাচে আমাদের ভালো নিয়ন্ত্রণ ছিল। কিন্তু একটি মিস ফিল্ডিং হলো এবং ম্যাচ ছুটে গেল।” “তারা ভালো খেলেছে, তবে আমাদের বোলারদের কৃতিত্ব দিতে হবে। টার্নিং উইকেটে তারা সত্যিই ভালো করতে পারে। আপনি দেখে থাকবেন একটি ক্যাচ ছুটল এবং পরের ওভারেই সে বড় রান নিল। এরপর থেকেই স্টয়নিস পারফর্ম করল। তবে আমাদের ছেলেদেরও কৃতিত্ব দিতে হয়। খুব ভালো।”