সিশেলসকে গোল বন্যায় ভাসালো আইভোরি কোস্ট। ফিফা র্যাংকিংয়ে দুই দলের আকাশ-পাতাল ফারাক। সিশেলসের অবস্থান ১৯৫তম আর আইভোরিয়ানরা আছে ৫২তম স্থানে। র্যাংকিংয়ে ১২১ ধাপ পিছিয়ে থাকার পার্থক্য আবিদজানে সিসেলশরে মাঠের খেলায়ও প্রকটভাবে ফুটে উঠল। ন্যনতম প্রতিরোধও গড়তে পারেনি তারা। তাদের জালে গুনে গুনে ৯ বার বল পাঠিয়েছে আইভরি কোস্ট। দিদিয়ের দ্রগবার দেশের ৯-০ ব্যবধানে জয় আফ্রিকার বিশ্বকাপ বাছাইয়ে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়। র্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকা দলের বিপক্ষে বিশাল ব্যবধানে জয়ের নজির আফ্রিকান ফুটবলে আছে অহরহ। গত বৃহিস্পতিবার জিবোতিকে ছয় গোল দিয়েছিল মিসর। লিভারপুল ফরোয়ার্ড মোহাম্মেদ সালাহ একাই করেছিলেন ওই ম্যাচে চার গোল। মিসরের চেয়েও বড় জয় ছিল কঙ্গো, লিবিয়া এবং আলজেরিয়ার। এই তিন দেশই প্রতিপক্ষকে হারিয়েছিল আট গোলের ব্যবধানে। সিশেলসের জালে গোল উৎসব করে জয়ের বিশালতায় সবাইকে পেছনে ফেলল আইভোরি কোস্ট। প্রথমার্ধে চার গোল করার পর দ্বিতীয়ার্ধে তারা লক্ষ্যভেদ করে আরো পাঁচবার। খেলার কুড়ি মিনিটের সময় গোলোৎসবের শুরু করেন বরুশিয়া ডর্টমুন্ড তারকা সেবাস্তিয়ান হলার। এরপর কোনাটে এবং হামেদ ট্রারোরের জোড়া গোলের সঙ্গে ইব্রাহিম স্যানগারে, সিমোন আডিয়ান্গ্রা, সেকো ফোফানা এবং জন ফিলিপ ক্রাসোর লক্ষ্যভেদে আফ্রিকান অঞ্চলের বাছাইয়ে সবচেয়ে বড় জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে আইভোরিকোস্ট। আইভোরিকোস্ট গোল বন্যায় প্রতিপক্ষকে ভাসালেও মাদাগাস্কারের বিপক্ষে জিততে ৯৬ মিনিট অবধি অপেক্ষা করতে হয়েছে ঘানাকে। নিজ মাঠে ঘানার ত্রাতা হয়ে আসেন ইনাকি উইলিয়ামস। দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়ে তাঁর একমাত্র গোলই তো জয় এনে দিয়েছে ঘানাকে। ইএসপিএন