আজ বুধবার ভোর থেকে সারাদেশে শুরু হয়েছে বিএনপি ও সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর ডাকা পঞ্চম দফার ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ কর্মসূচি। এরপর সকাল ১০টার দিকে নির্বাচন কমিশনের মুখপাত্র ও সচিব মো. জাহাংগীর আলম জানান, সন্ধ্যা ৭টায় আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কিছুটা আতঙ্ক বিরাজ করছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। যদিও তফসিল ঘোষণা ঘিরে সারাদেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
আজ বুধবার সকাল থেকে রাজধানীর কয়েকটি স্থানে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেন বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর নেতাকর্মীরা। তবে সকাল থেকে এখন পর্যন্ত রাজধানীর কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তফসিল ঘোষণা ঘিরে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রয়োজনে ওড়ানো হবে ড্রোন।
এদিকে, অবরোধের প্রথমদিন সকাল থেকে স্বাভাবিকভাবে শুরু হয় বাস চলাচল। ব্যক্তিগত গাড়ি কম থাকলেও বাস, সিএনজি, অটোরিকশা চলাচল করছে।
সকাল থেকে রাজধানীর বাড্ডা, রামপুরা, নতুন বাজার এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বাস চলাচল করলেও যাত্রী সংখ্যা কিছুটা কম। মোড়ে মোড়ে ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল নিয়ে যাত্রীর জন অপেক্ষা করতে দেখা গেছে চালকদের। ব্যক্তিগত গাড়িও কম রাস্তায়।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন রাইসুল। বাড্ডা থেকে গুলিস্তান যাবেন। তিনি জানান, আজকে আবার তফসিল দেওয়ার কথা আছে। শুনেছি তফসিল ঘোষণা করলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়বে। এ পরিস্থিতিতে ঘর থেকে বের হতেও ভয় লাগে। তবে কাজের জন্য যেতেই হবে।
উত্তর বাড্ডায় কথা হয় তুরাগ বাসের এক সহকারীর সঙ্গে। তিনি জানান, সকাল থেকেই বাস চালাচ্ছি। কিছুটা আতঙ্ক আছে। যাত্রী কম, তাই যাত্রী নিতে থেমে থেমেই তো চালাতে হয়। এই রোডে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেনি। তবে সমস্যা বাড়বে শোনা যাচ্ছে।
অটোরিকশা চালক ইমামুল জানান, আজকে সকাল থেকেই যানবাহনের চলাচল কম। এর আগেও অবরোধে গাড়ি চলাচল বেশি ছিল। আজ যাত্রী নেই বললেই চলে। ১ ঘণ্টায় কোনো যাত্রী পাইনি।