জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অবমাননার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কারাভোগ করা প্রধানশিক্ষকের বিরুদ্ধে এবার স্কুলের বিপুল পরিমান অর্থ আত্মসাতসহ বিস্তার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধানশিক্ষক শফিকুল ইসলামকে স্কুল থেকে অপসারনের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন স্কুলের অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।
একের পর এক বির্তকিত কর্মকান্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত প্রধানশিক্ষককে অপসারন করে ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ধরে রাখার জন্য বিক্ষুব্ধরা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ঘটনাটি বরিশাল সদর উপজেলার কাগাশুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের।
মঙ্গলবার সকালে অভিযুক্ত প্রধানশিক্ষক শফিকুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সম্প্রতি সময়ে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্খিত ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য একটি মহল আমার বিরুদ্ধে নানাধরনের ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারাই নাটকীয়ভাবে এখন মানববন্ধন করাচ্ছেন।
ওই স্কুলের ছাত্র অভিভাবক আবদুল বারেক ও জামাল উদ্দিনসহ একাধিক ব্যক্তিরা অভিযোগ করে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অবমাননার পর এবার স্কুলের অর্থ আত্মসাত, স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচনে সংঘাত ও বিশৃংখলা সৃষ্টি, প্রথমে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এবং পরবর্তীতে তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছেন প্রধানশিক্ষক শফিকুল ইসলাম।
অভিযোগে আরও জানা গেছে, প্রধানশিক্ষক শফিকুল ইসলামের একের পর বির্তকিত কর্মকা-ে ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী কাগাশুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অতীতের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে। তারা আরও বলেন, জাতির পিতাকে অবমাননার ঘটনায় ইতোমধ্যে স্কুলের অভিভাবক সদস্য আবদুল বারেক বাদি হয়ে কাউনিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছিলেন। ওই মামলায় প্রধানশিক্ষক শফিকুল ইসলামকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদ- দিয়েছিলো আদালত। তবে আপিল করার শর্তে অন্তবর্তীকালীন জামিনও দিয়েছে আদালতের বিচারক। অভিভাবক ও এলাকাবাসী স্কুলের অতীত সুনাম ধরে রাখতে বির্তকিত প্রধানশিক্ষক শফিকুল ইসলামকে অনতিবিলম্বে অপসারনের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।