পাকিস্তানের বিপক্ষে ৮১ রানে পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করেছে নেদার্যলান্ডস। গত শনিবার হায়দারাবাদের ম্যাচটিতে খেলতে নেমে পাকিস্তানী পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি ও হারিস রউফের তোপের মুখে পড়ে ডাচরা। কিন্তু ডাচ অল রাউন্ডার বাস ডি লিড বিশ্বাস করেন পাকিস্তানী পেসারদের মত নিউজিল্যান্ডের সীমার ট্রেন্ট বোল্ট ও লুকি ফার্গুসনকেও তিনি ভালভাবেই সামাল দিতে সক্ষম হবেন। গত শুক্রবারের ম্যাচে শাহিন শাহ আফ্রিদি, রউফ ও হাসান আলি নিজেদের মধ্যে ৬ উইকেট ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। ১০ দলের বিশ্বকপে একমাত্র সহযোগি দেশ হিসেবে বাছাইপর্ব থেকে খেলতে এসেছে নেদারল্যান্ডস। সোমবার তারা দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে ৯ উইকেটে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছে কিউইরা। ডি লিড বলেন, ‘ঐ দলে ট্রেন্ট বোল্ট রয়েছে যার বোলিং সম্ভবত অনেকটাই শাহিনের মত। আর ফার্গুসনের বোলিং হারিস রউফের সাথে মিলে যায়। সে কারণে প্রায় একই ধরনের বোলিংয়ের মোকাবেলা আমাদের করতে হবে। আমরা নিজেদের শিক্ষা নিয়ে নিয়েছি। আশা করছি পরের ম্যাচে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারবো।’ ২৮৭ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২৪ ওভারে ২ উইকেটে ১২০ রান সংগ্রহ করে ভালই এগিয়ে যাচ্ছিল নেদারল্যান্ডস। ডি লিড সর্বোচ্চ ৬৭ ও বিক্রমজিত সিং ৫২ রান করেন। কিন্তু মাত্র ১৩ রানের মধ্যে দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে নেদারল্যান্ডস ইনিংস হঠাৎ করেই থমকে যায়। এই ব্যর্থতা থেকে আর বেরিয়ে আসতে না পারায় ২০৫ রানে ডাচদের ইনিংস শেষ হয়। ২৩ বছর বয়সী ডি লিড বলেন, ‘আমি মনে করি ইনিংসের মাঝামাঝিতে ঐ উইকেটগুলোর পতন আমাদের পিছিয়ে দিয়েছে। আমরা প্রথমে বিক্রমকে হারাই, এরপর তেজা ও স্কট এডওয়ার্ডসের পরপর দুই উইকেটের পতনে আমরা ব্যাকফুটে চলে যাই। এই ধরনের পরিস্থিতি থেকে ফিরে আসা কঠিন। আরো একটি বড় পার্টনারশীপের প্রয়োজন ছিল। তাহলে জেতার চেষ্টা করা যেত।’ ডি লিড জানিয়েছেন ভারতের ধীর গতির স্পিনিং উইকেটে ব্যাট করার টিপস তিনি আগেই পেয়েছিলেন। সেটাই কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছেন।