খুলনা জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফিন বলেছেন খুলনার দৌলতপুর খেয়াঘাট স্থানান্তর জনগণের ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবী। জনগণের এ দাবী পূরণে আমরা আমাদের জায়গা থেকে যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। তিনি গত রোববার (১ অক্টোবর) দিঘলিয়া উপজেলা প্রশাসনের আমন্ত্রণে দিঘলিয়া উপজেলা পরিষদ পরিদর্শন কালে দিঘলিয়ার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও দৌলতপুর খেয়াঘাট স্থানান্তর আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হলে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, শেখ আবদুস সালাম, মোল্লা মাকসুদুল ইসলাম, সৈয়দ জাহিদুজ্জামান, শেখ রিয়াজ, শেখ আতিকুল ইসলাম, সৈয়দ শাহজাহান, মোঃ জাকির হোসেন, ডাঃ হাফিজুর রহমান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, শেখ শামীমুল ইসলাম, সাজ্জাদ হোসেন প্রমুখ। উল্লেখ্য খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার ভৈরব নদের দেয়াড়া-দৌলতপুর খেয়াঘাট স্থানান্তরের দাবীতে দিঘলিয়া তথা নড়াইল, তেরোখাদা ও গোপালগঞ্জের মানুষের পক্ষে দিঘলিয়ার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে দৌলতপুর খেয়াঘাটটির পশ্চিম পার বাজারের মধ্য থেকে পার্শ্ববর্তী লঞ্চঘাটে স্থানান্তরের দাবীতে নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে। দিঘলিয়া, তেরোখাদা, কালিয়া ও গোপালগঞ্জের হাজার হাজার মানুষ প্রতিনিয়ত ঘাটের সরু পথ ও বাজারের মানুষের সাথে ধাক্কাধাক্কি করে চিপাগলি অতিক্রম করে মূল সড়কে পৌঁছে। শিশু, প্রতিবন্ধী, বিভিন্ন বয়সের রুগী, মহিলা, স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীসহ সাধারণ মানুষের ঘাট দৌলতপুর ঘাট থেকে সড়ক পর্যন্ত যাওয়া ও সড়ক থেকে ঘাটে পৌঁছা খুবই কষ্টকর।