রাজশাহী পুঠিয়ায় বাংলাদেশ কেমিষ্টস ড্রাগিষ্টস সমিতির অনুমোদন নিয়ে ব্যাঙ্গের ছাতার মতো দুইশতাধিক এ্যলোপাতিক ফামের্সীর দোকান গড়ে উঠেছে। বেশিরভাগ ওষুধের দোকানের বৈধ কোনো লাইসেন্স নেই। শুধুমাত্র সমিতির ক্ষমতায় তারা প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার কর ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে ওষুধের ব্যবসা করছে। যার ফলে সরকার বিপুল অংকের কর আদায় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। জানা গেছে, পুঠিয়া উপজেলা সদরসহ প্রত্যঞ্চলের হাট-বাজার সরকারি নিয়ম অমান্য করে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে ওষুধের দোকান। সংশ্লিষ্টরা বলছে, বৈধ ওষুধের দোকান করতে হলে, প্রথমে স্থানীয় এলাকার ট্রেড-লাইসেন্স, করের টিআর নম্বার,ফারমাষ্টি লাইসেন্স, নিজ জেলার বাংলাদেশ কেমিষ্টস ড্রাগিষ্টস সমিতির অনুমোদন। শুধুমাত্র সমিতির ক্ষমতা দিয়ে দুইশতাধিক ওষুধের দোকানে কোনো বৈধ লাইসেন্স নেই। যে কয়েকজনের লাইসেন্স আছে, তাদের মধ্যে অন্যের লাইসেন্স দোকানে রেখে ব্যবসা করছে। উপজেলা জুড়ে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার ওষুধের ব্যবসা হচ্ছে। ওষুধের দোকান মালিকরা বলছ্,েআমারা ড্রাগ সমিতি সদস্য। সরকারি সব ঝমেলা সমিতি ম্যানেজ করে রাখে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তিরা বলেন, উপজেলা সদরে মাঝেমধ্যে ড্রাগ কর্মকর্তাদের দেখা মিলে। কিন্তু প্রত্যঞ্চলের হাট বাজার গুলোতে ড্রাগ সুপার কোনো খোজখবন না রাখার কারণে দোকানদারা বাধাহীন স্বাধীনভাবে ব্যবসা করছে। চুক্তি মোতাবেক সমিতির মাধ্যমে ড্রাগ কর্মকর্তাদের প্রতিমাসে দোকানদারা টাকা দিয়ে থাকে। একাধিক ওষুধ ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, রাজশাহী শহরের লক্ষিপুর মর্ডান মার্কেটে প্রকাশ্যে বিভিন্ন কোম্পানির সিম্পল বিক্রি হয়। ড্রাগের কর্মকর্তা তা দেখতে পায় না। সিম্পল দেয় আমাদের ডাক্তারা। তাদের সিম্পল দেওয়া বন্ধ কললেই সিম্পলের সমস্যা থাকবে না। উপজেলা পর্যায়ে এসে সিম্পল ওষুধ রাখার জন্য ১০ হাজার টাকা জরিমানা করছে। বাংলাদেশ কেমিষ্টস ড্রাগিষ্টস সমিতির পুঠিয়া শাখার সাবেক সভাপতি মখলেছুর রহমান রাজু বলেন, পুঠিয়া উপজেলায় বর্তমানে নতুন পুরাতন মিলে ৩০ হতে ৩৫টির মতো রাজশাহী জেলা শাখার ড্রাগ লাইসেন্স থাকতে পাড়ে।
বাংলাদেশ কেমিষ্টস ড্রাগিষ্টস সমিতির রাজশাহী জেলা শাখার সিনিয়র সহসভাপতি শেখ আনসারুল হক খিচ্ছু বলেন, ফারমাষ্টি ড্রাগ লাইসেন্স না থাকলে আমাদের কোনো সদস্য হতে পারবে না। তারপর, যারা ওষুধের ব্যবসা করছে। তাদের আস্তে আস্তে সবাইকে ড্রাগের লাইসেন্স করতে হবে। লাইসেন্স করানো দায়িত্ব সরকারের।
বাংলাদেশ কেমিষ্টস ড্রাগিষ্টস সমিতির রাজশাহী জেলার সহকারি পরিচালক মাখনুত্তন তাবাসসুম বলেন, পুঠিয়ার ওষুধ ব্যবসায়ীরা নিম্নমানের,মেয়াদ উত্তীর্ণ, ওষুধ কোম্পানির সিম্পল, ওষুধের গায়ে লেখা, দাম ঘষামাজা করার অপরাধে ১৩ জুন আমরা দুইটি দোকানে জরিমানা করে ছিলাম। তারপর, তাৎক্ষনিক সব ওষুধ ব্যবসায়ীরা এক হয়ে রাত পর্যন্ত দোকান বন্ধ করে রেখে ছিল। এদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহন করলে। তারা ব্যবসা বন্ধ করে রাখছে।