রাজশাহীর বাঘায় সেই অজ্ঞাত ৩৮ বছর বয়সের প্রসবকারী সন্তানকে ছোটমণি নিবাসের পর মানষিক ভারসাম্যহীন নারীকে ওয়ান স্টোপ কাইসিস সেন্টারে প্রেরণ করা হয়। বুধবার (১৪ জুন) দুপুরে নিরাপত্তার জন্য উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ড়ের সহায়তায় রাজশাহীর ওয়ান স্টোপ কাইসিস সেন্টারে প্রেরনের করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ড়ের সদস্য সচিব ও উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার নাফিজ শরিফ। তবে ওই নারীকে দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্েরর বেডে সন্তানের জন্য ছটপট করতে দেখা গেছে। এর আগে সোমবার (১২ জুন) নবজাতক সন্তানকে সমাজ সেবা অধিদপ্তরের রাজশাহীর ছোটমণি নিবাসে রাখা হয়েছে। রোববার (১১ জুন) বিকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অজ্ঞাত মানষিক ভারসাম্যহীন নারী একটি কন্যাসন্তান প্রসব করে।
জানা যায়, বাঘা শাহদৌলা সরকারি কলেজের উত্তর দিকের আমগাছের নিচে ওই নারীকে ১১ জুন বসে থাকতে দেখেন স্থানীয় সাবিনা খাতুন নামের এক গৃহবধু। পরে বাঘা বাজারের তুহিন আহম্মেদের বাড়ির গেটের সামনে ওই নারী সন্তান প্রসব যন্ত্রনায় কাতরানো দেখে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করার পর একটি কন্যাসন্তান প্রসব করে।
এদিকে স্থানীয় সংবাদকর্মীর কাছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আয়া শেফালি খাতুন শিশুকে দিলে তার মাকেও লালন পালন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশাদুজ্জামান আসাদ বলেন, অজ্ঞাত পরিচয়ে ভর্তি হওয়া ওই নারী মানসিক ভারসাম্যহীন। নিজের নাম ঠিকানা কিছুই বলতে পারছেন না। বিষয়টি উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডকে অবগত করা হয়। তাদের সহায়তায় সমাজ সেবা অধিদপ্তরের রাজশাহীর ছোটমণি নিবাসে শিশুকে রাখা হয়েছে। তবে কোন কোন সময় সন্তানের জন্য সন্তান প্রসবকারী মানষিক ভারসাম্যহীন নারী ছটপট করলেও ভাল আছে। তাকেও ওয়ান স্টোপ কাইসিস সেন্টারে প্রেরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ড়ের সদস্য সচিব ও উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার নাফিজ শরিফ বলেন, উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ড়ের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ আমি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের গিয়ে সন্তান প্রসবকারী মানষিক ভারসাম্যহীন নারীর পরিচয় উদ্ধারের চেষ্টা করেও পারেনি। তবে তাকে ওয়ান স্টোপ কাইসিস সেন্টারে প্রেরণ করা হচ্ছে। বর্তমানে সে ভাল আছে।