রাজশাহীর দুর্গাপুরে ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রভাবশালী জামায়াত নেতার সহোদর ভাইয়ের বিরুদ্ধে অবৈধ পন্থায় পুকুর খনন করতে গিয়ে রাস্তায় রোপনকৃত সরকারী গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কাজ শুরু করেছে উজান খলশী ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
১৭ মে বুধবার বিকেলে ঘটনাস্থল দুর্গাপুর উপজেলার পানানগর ইউনিয়ন পরিষদের সম্মূখস্থানে প্রশাসনের অনুমতি ব্যাতীত সরকারী গাছ কর্তনের অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে সরজমিনে তদন্তে গিয়েছিলেন উজান খলসী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা আবদুল ওয়াহেদ।
অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পর পরই অভিযোগের সত্যতা প্রমাণের জন্য তদন্ত শুরু করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এলাকাবাসী। সেই সাথে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দ্রুততার সাথে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন সচেতন মহল।
এলাকাবাসীর অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, সরকারী নিশেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে দুর্গাপুর উপজেলার পানানগর ইউনিয়ন পরিষদের সম্মূখস্থানে পুরাতন পুকুর সংস্কারের ফাঁকে ৩/৪ বিঘা ফসলী জমি কেটে পুকুর খনন করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে পানানগর ইউপি চেয়ারম্যান আজাহার আলী খাঁ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক সংগঠন জামায়াত ইসলামি বাংলাদেশ পানানগর ইউনিয়ন শাখার সাবেক সভাপতি ও দুর্গাপুর উপজেলা শাখার সাবেক সদস্য প্রভাবশালী নেতা কাঠালবাড়ীয়া শহীদ আবুল কাশেম স্কুল এ- কলেজের প্রভাষক মুহা. সেলিম রেজা খাঁন এর ছোটভাই জামায়াতকর্মী উল্লেখ্য যে, দুর্গাপুর উপজেলার পাড়ানগর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে দুর্গাপুর ফাযিল মাদ্রাসার গ্রন্থাগারিক মহিদুল ইসলাম ও একই এলাকার মাসুম ও মো. মুক্তি পুকুর সংস্কারের কাজ করছে। পুকুরের সামনে রাস্তার পাশে সামাজিক ও বনায়ন কর্মসূচির আওতায় সরকারের রোপনকৃত গাছগুলি থাকায় পুকুরে কাকড়া গাড়ি পৌঁছাতে না পারার কারণে গাছগুলো কেটে পানানগর বাজারের হাসান আলী নামের একজন চা ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করেন।
এবিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তদন্ত কর্মকর্তা ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) আবদুল ওয়াহেদ বলেন, রাস্তার সরকারী গাছ কর্তনের বিষয়ে অভিযোগের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আদেশক্রমে ১৭ মে বুধবার সরজমিনে গিয়ে তদন্ত করা হয়েছে। যতাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট তদন্ত প্রতিবেদন জমা হবে। তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন।