রাজশাহীর মোহনপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ বিধি লঙ্ঘন করে অধ্যক্ষ নিয়োগের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। শিক্ষকদের বড় একটি অংশ বলছেন- নিজের পছন্দের লোককে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নীতিমালা লঙ্ঘন করেছেন কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম। অধ্যক্ষ নিয়োগের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞান দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৫ মে) ওই অধ্যক্ষ পদে নিয়োগটি বন্ধের জন্য আবদুল ওহাব ও আবদুল মতিন নামের দুই ব্যক্তি স্বাক্ষর করে রাজশাহী জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৫ সালে মোহনপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ২০০৪
সালে এমপিওভুক্ত হয়। ২০১০ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে ডিগ্রি পাশ, বিএ, বি.এস.এস
ও ২০১৩-১৪ শিক্ষবর্ষে বি.এস.সি অধিভূক্তি লাভ করার পর কলেজের অধ্যক্ষের পদ শূন্য হয়।
মোহনপুর উপজেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও কলেজ গভনিং বডির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম অত্র কলেজের সহকারী অধ্যাপক আবদুল মান্নানকে বিধি বহির্ভূত ভাবে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। আবদুল মান্নান বাকশিমইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও অত্র ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান। অভিযোগ উল্লেখ রয়েছে মনোনয়ন দিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যলয় অথচ মোহনপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজকে ইন্টারমেডিয়েট কলেজ দেখিয়ে অধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া করা হচ্ছে। অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আয়েন উদ্দিনের আপন ভগ্নীপতি হওয়ার তিনি এক সাথে তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছে। একই ব্যক্তি একাধিক প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বে থাকায় দলীয় নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
রাজশাহী জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।