রাজশাহীর বাঘায় এ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় রতনা খাতুন (১৪) নামের এক স্কুল ছাত্রী নিহত হয়েছে। ঈদের পরের দিন রোববার (২৩ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় বাঘা-আড়ানী সড়কের তেপুকুরিয়া মসজিদ মোড়ে এই ঘটনাটি ঘটেছে। রতনা খাতুন উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের গঙ্গারামপুর গ্রামের মফেজ আলীর নাতনি ও মনিগ্রাম বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।
জানা যায়, খালাত ভাই জনি আহম্মেদের সাথে তেথুলিয়ার এক আত্মীয় বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে ঈদের দাওয়াত খেয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তারা বাঘা-আড়ানী সড়কের তেপুকুরিয়া মসজিদ মোড়ে পৌছ। এ সময় অপর দিক থেকে আসা এ্যাম্বুলেন্সের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা রতনা খাতুন ছিঁটকে রাস্তায় পড়ে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়। আহত মোটরসাইকেল আরোহী জনি আহম্মেদকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে এ্যাম্বুলেন্সকে আটক করা যায়নি।
মনিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ও গঙ্গারামপুর গ্রামের বাসিন্দা আবদুল মতিন বলেন, তারা উভয়ে নানা মফেজ আলীর বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করে। তেথুলিয়া নিকট আত্মীয়র বাড়ি থেকে ঈদের দাওয়াত খেয়ে বাড়ি ফেরার পথে দূর্ঘটনায় রতনা নিহত ও জনি আহত হয়েছে। আহত জনিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। নিহত রতনাকে রাত ৯টায় আড়ানী নুরনগর সরকারপাড়া গ্রামে পিতা আবদুল হান্নানের সামাজিক গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি খায়রুল ইসলাম বলেন, দূর্ঘটনায় বিষয়ে মোখিকভাবে শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। তবে এ বিষয়ে কারও কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ দাফন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।