দিঘলিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ও ঐতিহাসিক পুরাতন বাজারটি বর্তমানে নানা সমস্যার কারণে তার ঐতিহ্য হারাতে বসেছে। বাজারের খাস খতিয়ানের জায়গা নানা ভূমি দস্যুদের করাল গ্রাসে দিন দিন পরিধি ছোট হয়ে আসছে। বাজারের খাস খতিয়ানের জায়গায় নির্মিত হয়েছে ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান, ঘরবাড়ি, রাস্তাসহ নানা প্রতিষ্ঠান। সংশ্লিষ্ট সূত্রে থেকে জানা যায়, দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি বাজারটি এলাকার একটি ঐতিহ্যবাহী ও ঐতিহাসিক বাজার। এ বাজারটির মাঝখানে রয়েছে সেনহাটি এলাকার প্রসিদ্ধ সেনদের পরানো নিদর্শন বাঁধা ঘাট। এখনও ঘাটটির স্মৃতিমন্ডিত পিলারের গায়ে রয়েছে সেই সকল মনিষীদের নামের স্মৃতিফলক। যা আজও প্রমাণ করে সেনহাটি নামের সেই ঐতিহাসিক সেন বংশের ঐতিহ্য ও স্থাপিত এই সেনহাটি বাজার। যদিও এ বাজারের সিংহ ভাগ জায়গা বেদখল। কেউ করেছে বাড়ি। আবার কেউ করছে নিজস্ব দোকান ও ব্যবসাকেন্দ্র। সেনহাটি বাজারের সরকারি খাস খতিয়ান ১ এর প্রায় ৪ একর জায়গার কয়েকশত হোল্ডিং বেশীরভাগ জায়গা আজ বেদখল ও নিজস্ব সম্পদ। সরকারিভাবে নেই কোন পদক্ষেপ। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, এলাকার নানা মহল বাজারের সিংহভাগ জায়গা দখলে নিয়ে ঘরবাড়ি করে বসবাস ও দোকানপাট করে মোটা অংকের টাকায় ভাড়া দিয়ে ব্যবসা করছেন। সেনহাটি বাজারের পশ্চিমে সেনহাটি স্কুল ও পূবে শিব মন্দীর ও উত্তরে সেনহাটি পশ্চিমের ২ নং কলোনি ও কেসিআই ইনস্টিটিউট। কিন্তু সেনহাটি বাজারের সেই জায়গায় হয়েছে বসতঘর, রাস্তাঘাট ও সীমিত কিছু জায়গায় রয়েছে বাজারের অবস্থান। এ ব্যপারে কথা হয় সেনহাটি তহশীল অফিসের নায়েব স্বপন বাবুর সাথে। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, বাজারের সিংহ ভাগ জায়গা বেদখল। ভুয়া কাগজপত্র নিয়ে বসে আছে। ফলে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরকারি এ জায়গা উদ্ধার করে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের মাঝে বরাদ্দ দেওয়া হোক এ দাবী বাজারের সকল ব্যবসায়ীদের। অবৈধভাবে হোল্ডিং বেদখল উচ্ছেদের দাবী সকলমহলের। সেনহাটি বাজারের ব্যবসায়ীরা এ ব্যপারে আশু প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও খুলনা জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।