সারা দেশের ন্যায় খুলনার তেরখাদায়ও হাড়কাপানো শীত ও ঘন কুয়াশার বিস্তার ঘটেছে। সাথে সাতে উত্তর পশ্চিম দিক থেকে হাড়া কাঁপানো হিমেল হাওয়া বইছে। শীত আর কুয়াশায় সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জীবিকায় বাধা পড়েছে। স্থানীয় বাজার গুলোতে ক্রেতাদের আগমন অনেকটা কমে এসেছে। সন্ধ্যা নামার আগেই সবাই তড়ঘড়ি করে বাড়ি ফিরছে। কৃষি প্রধান উপজেলা হওয়ায় এখানে কৃষকের সংখ্যা অনেক বেশি। ধান রোপনের মৌসুম হওয়ায় কৃষকেরা ধান রোপনে অসহ্য কষ্ট ভোগ করছে। সূর্যের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না বললেই চলে। যানবাহনগুলোকে দিনের বেলায়ও হেডলাইট জালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। সাধারণ শ্রমজীবী মনুষকে রাস্তার পাশে আগুন জ¦ালিয়ে শীত নিবারন করতে দেখা গিয়েছে। তবে বিপাকে পড়েছে অন্য জেলা থেকে আসা কৃষি শ্রমিকরা। তারা এই আবহাওয়াতে ধানের জমিতে নামতেই পারছেনা।তবে তীব্র শীতে টাটকা খেজুরের রস আর নানা রকম পিঠা পুলিতে শীতের সকালে অনেকটা রোমাঞ্চ যোগাচ্ছে। রাস্তার খুপরি দোকান গুলোতে গরম চপ ও ভাপা পিঠা বিক্রির দোকান বেশ জমজমাট। তবে আশার কথা হলো খুলনা ৪ আসনের সাংসদ আবদুস সালাম মূর্শেদী ও এনভয় গ্রুপের চেয়ারম্যান ও এমপি পতœী মিসেস সারমিন সালাম তাদের নিজস্ব অর্থায়নে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করে চলছেন। অন্যদিকে তেরখাদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান শীত উপেক্ষা করে নিজে রাতের আঁধারে অসহায় মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর উপহার শীতবস্ত্র বিতরণ করছেন। এ ছাড়া রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেও শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে। তবে সকলে শীতের সকালে অপেক্ষা করছে বহুল কাঙ্খিত সূর্য মামার।