খুলনার পাইকগাছায় চাঁদখালীর চক বিষ্ণুপুর মৌজার পাউবোর বেড়িবাঁধের মাটি কাটা ও বিক্রির মহোৎসব চলছে। প্রতিদিন মাটি কেটে পার্শ্ববর্তী ইটভাটা গুলোতে বিক্রি করে ভূমিখেঁকোরা হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। ফলে বৃষ্টি মৌসুমে ভাঙ্গনের মুখে বিলীন হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে ষাটের দশকের এ ওয়াপদার বেড়িবাঁধ। হুমকির মুখে পড়েছে এ বেড়িবাঁধ। ভূমিখেঁকোরা স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলকে ম্যানেজ করে অল্পদিনে সরকারি জায়গার মাটি বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আঙুল ফুলে কলাগাছ বনেগেছে অভিযোগ স্থানীয় সাধারণ মানুষের। উপজেলার চাঁদখালী ইউপির চক বিষ্ণুপুরে ওয়াপদার বেড়িবাঁধ সংলগ্ন সরকারি জায়গায় চলছে মাটি কাটা ও মাটি বিক্রির মহোৎসব। শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থ সরেজমিনে এবং স্থানীয় মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের প্রভাবশালী ভূমিখেঁকো মনি ও টিক্কার নেতৃত্ব একটি প্রভাবশালীচক্র সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের চোখ ফাঁকিঁ দিয়ে প্রতিনিয়ত রাতের আঁধারে চক বিষ্ণুপুরে ওয়াপদার বেড়িবাঁধ সংলগ্ন সরকারি জায়গা সহ সরকারি খাস জমি থেকে ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি কেটে মাহেন্দ্র গাড়ী যোগে পাশ্ববর্তী ইটভাটায় বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। ওয়াপদার বেড়িবাঁধ সংলগ্ন বাসিন্দারা ভয়ে এদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে রাজি হয়নি। মাটি ব্যবসায়ী মনি ও টিক্কা সহ একটি প্রভাবশালী মহল ক্ষমতার দাপট ও প্রভাব কাটিয়ে সরকারি জায়গা থেকে মাটি কেটে এবং বিক্রি করে ইতোমধ্যে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। বর্তমানে তারা চাঁদখালী বাজারে একাধিক ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত। স্থানীয়রা আরো জানান, মাটি ব্যবসায়ী মনি ও টিক্কা সহ একটি প্রভাবশালী মহল প্রতিনিয়ত রাতের আঁধারে সরকারি জায়গা থেকে মাটি কেটে নিয়ে গেলে ও প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা অদৃশ্য কারণে নীরব ভূমিকা পালন করছেন। মনি ও টিক্কার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তারা সরকারি জায়গার মাটি কাটা ও বিক্রির সত্যতা স্বীকার করে জানান, সেলিম গাইন, সিরাজুল, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাজি মুনছুর আলী, হাজি আলিম ও হানিফ এরা রেকর্ডীয় জমির মালিক নাকি? তাদের কাছ থেকে আমরা মাটি কিনে কেটে ভাটায় বিক্রি করছি। পাইকগাছা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারি প্রকৌশলী রাজু হাওলাদার জানান, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি।