প্রায় একুশ বছর পর দ্বিতীয় বারের মতো প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার আগমন ঘটছে খুলনার দিঘলিয়ায়। তিনি শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া হয়ে সড়কপথে দিঘলিয়ার নগরঘাট ফেরিঘাট সংলগ্ন ভৈরব নদীর তীরে স্ব-পরিবারে মাতুল সম্পত্তি দেখবেন এমনটায় জানা গেছে।
তিনি ইতঃপূর্বে প্রথমবারের মত আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ২০০১ সালের ২২ এপ্রিল দিঘলিয়ার পথেরবাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে দলীয় সফরে এসেছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে কেন্দ্র করে দিঘলিয়ায় ভৈরব তীরে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমন পথে দলীয় নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষনীয় তোরণ, ব্যানার, ফেস্টুন, প্যানায় ছেয়ে গেছে। সড়কের পাশের দেয়াল গুলিতে আল্পনা করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর ছবি।
দিঘলিয়ার নগরঘাট সংলগ্ন ভৈরব নদীর তীরে প্রধানমন্ত্রীর মা বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৪ বিঘা জমি ছিলো। মায়ের ওয়ারেশ সূত্রে ওই জমির মালিক বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। ওই জমির উপরে থাকা পুরানো গোডাউন ভেঙ্গে সম্প্রতি আধুনিকীকরণকৃত একটি গোডাউন তৈরি করা হয়েছে। গোডাউনের সামনে ভৈরব নদীর তীর সংলগ্ন দৃষ্টিনন্দন একটি রেস্ট হাউজ তৈরি করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের খুলনা জেলা সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশিদ জানান, প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরটি তাঁর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক। এখানে দলীয় কোন কর্মসূচি নেই। তারপরও তাঁর আগমনে নেতাকর্মীদের মাঝে আনন্দ বিরাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রীর খুলনার দিঘলিয়ায় এ সফরকে তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত সফর বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে গোটা দিঘলিয়া উপজেলার ভৈরব নদী তীরবর্তী এলাকা কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আনা হয়েছে।