এ কোন রূপকথার গল্প নয়। এ গল্প স্বপ্ন পূরনের। এ গল্প ভুমিহীনদের মাথা গোজার ঠাই করে দেয়া। এ গল্প একজন রাস্ট্র নায়কের দেশ থেকে ভুমিহীন ও গৃহহীন শব্দ দুটি মুছে দেয়া। এ গল্প একজন সংসদ সদস্যের নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি মানুষের কাছে প্রাণের স্বজন হয়ে ওঠা। এ গল্প একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সার্বিক তদারকিতে গৃহহীন ও ভুমিহীন পরিবারকে একটি মজবুত স্থাপনা উপহার দেয়ার। এ গল্প প্রকৃতির বুকে গৃহহীন ও ভুমিহীন পরিবারের প্রাণ সঞ্চারের গল্প। খুলনা - তেরখাদা সড়কের পাশেই হাড়িখালীতে মনোরম পরিবেশে লাল সবুজ টিনে মাথা উঁচু করে দাড়াতে শুরু করিছে মুজিব পল্লীর গরগুলো। মুজিব পল্লীর কাজ সমাপ্ত হলে ৬৫ টি পরিবার পাবে প্রধান মন্ত্রীর উপহার স্বপ্নের ঘর।
এ বিষয়ে খুলনা ৪ আসনের সাংসদ আবদুস সালাম মূর্শেদী মুঠোফোনে জানান, ঘর গুলোর নির্মান কাজ আমি সার্বিক তদারকিতে রেখেছি। যেন কোন ধরণের অনিয়ম এবং দুর্নীতি না হয়। ঘর গুলো নির্মান কাজ চলমান। এগুলো নির্মানের পর আবারো নতুন ঘর নির্মান করা হবে আশা করছি। এবং ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর উপহার স্বপ্নের ঠিকানায় তুলে দিতে পারায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
আশ্রয়নের ঘর গুলো যেন সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী নির্মান সামগ্রীর সঠিক ব্যবহার হয় তা নিশ্চিত করতে তেরখাদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান সার্বক্ষনিক তদারকি করছেন। উল্লেখ্য তেরখাদা উপজেলাকে ভুমিহীন ও গৃহহীন করতে ইতো পূর্বে অনেক গুলো আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মিত হয়েছে। কিছু প্রকল্পের কাজ নির্মানাধীন রয়েছে। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পে ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পেয়েছে তাদের মাথা গোজবার ঠাই।