রাজশাহীর বাঘা পৌর নির্বাচনে ভোট দিতে না পেরে ফিরে গেলেন দুই কেন্দ্রে ১৪ ভোটাররা। বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বের) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতীহিনভাবে ভোট গ্রহন শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত চলছে ভোট গ্রহণ।
জানা যায়, বাঘা মডেল উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে এসে ফিরে গেলেন উত্তর মিলিকবাঘা গ্রামের সেকেন্দার আলী, মুনসুর রহমান, আবুল হোসেন, সাইফুল ইসলাম। এ ছাড়া বাঘা হযরত শাহ আবদুল হামিদ দানিশ মান্দ ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ১০ জন ফিরে গেছে বলে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার মুনসুর আলী জানান। তিনি কারণ হিসেবে জানান, ইভিএমের সেন্সর ঠিকমতো কাজ না করা, আঙুলের ছাপ না মেলায় এবং এনআইডি কার্ডের নম্বরের সঙ্গে ভোটার তালিকার নম্বরের মিল না থাকায় এমন ঘটনা ঘটেছে। তিনি আরও জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভোট গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। তবে ভোট কেন্দ্রের মধ্যে যারা প্রবেশ করেন তাদের ভোট নেওয়া হয়েছে।
এ দিকে বাঘা মডেল উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ৩ হাজার ৫৬ জন ভোটারের মধ্যে ২ হাজার ১০০ ভোট কাষ্ট হয়েছে। বর্তমানে ভোট গ্রহণ চলছে। শতাধিক ভোটার লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন বলে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ইমরান আলী জানান।
এদিকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত বাঘা উচ্চ বিদ্যালয়, গাওপাড়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা, মুর্শিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে দেখা যায়। বাঘা হযরত শাহ আবদুল হামিদ দানিশ মান্দ ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ২৮ ও বাঘা মডেল উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ হাজার ৫৬ জন।
এ নির্বাচনে ৫ জন মেয়র, ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ৩৬ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর ১৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১১ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৯০ জন সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার, ১৮০ জন পোলিং অফিসার ভোট গ্রহন করেন।
মেয়র পদে উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও প্যানেল মেয়র শাহিনুর রহমান পিন্টু (নৌকা), জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক মেয়র আক্কাছ আলী (জগ), পৌর জামায়াতের আমির সহকারি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম (নারিকেল গাছ), পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন (কম্পিউটার) এবং ইসরাফিল বিশ্বাস (মোবাইল ফোন) প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারি রিটারিং অফিসার মুজিবুল আলম বলেন, ১১টি কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। মোট ভোটার ৩১ হাজার ৬৬৯। এরমধ্যে পুরুষ ১৫ হাজার ৮১২ এবং নারী ১৫ হাজার ৮৫৭ জন। কিছু ত্রুটির কারণে কেউ কেউ ভোট দিতে পারেনি।