২৬ বছরের বেশি সময় ধরে বিভিন্ন নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ইসরাফ্রিল বিশ্বাস। সংসদ নির্বাচন ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, পৌর নির্বাচন থেকে শুরু করে সব নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। কিন্তু তিনি কোন নির্বাচনে জামানত ফেরত পায়নি। ইসরাফ্রিল বিশ্বাস রাজশাহীর বাঘা পৌরসভার বলিহার গ্রামের বাসিন্দা।
তিনি পেশায় টিউবওয়েল মিস্ত্রীর পাশাপাশি ডেকোরেটর ব্যবসায়ী। আগামী ২৯ ডিসেম্বর বাঘা পৌরসভা নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী হয়েছেন। তার প্রতীক ‘মোবাইল ফোন’।
এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাদের সাথে তাল মিলিয়ে মেয়র পদে অংশগ্রহণ করে প্রচারনা চালাচ্ছেন ইসরাফ্রিল বিশ্বাস।
তবে তার নির্বাচনী প্রচারণায় গণজমায়েত, মিছিল ও হট্টগোল নেই। তিনি কখনো পায়ে হেঁটে, কখনো ইজিবাইকে নিজের ছবি সংবলিত ‘মোবাইল ফোন’ প্রতীকের পোষ্টার বিলি করে প্রচারনা চালাচ্ছেন।
বার বার প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে ইসরাফ্রিল বিশ্বাস বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে ভোটের হারানো সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে চাই। প্রজন্মকে জানতে হবে, এদেশে একদিন গণতন্ত্র ও ভোটের রাজনীতি ছিল। কোনো দিন যদি নির্বাচিত হই, তাহলে সমাজসেবক হিসেবে তরুণদের কর্মসংস্থান নিয়ে কাজ করবো সবার আগে। অতীতের দিনগুলোর চেয়ে এবার পৌরসভার নির্বাচনে ভোটাররা মূল্যায়ন করবে বলে তার আত্মবিশ্বাস।
উল্লেখ্য, ইসরাফ্রিল বিশ্বাস ১৯৯৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি ১ শতাংশ ভোটারদের স্বাক্ষর সঠিক না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এবং ২০১৪ সালে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেছিলেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও পৌর নির্বাচনে সহকারি রিটার্নিং অফিসার মুজিবুল আলম বলেন, কোন নির্বাচনেই জামানত ফেরত পাননি ইসরাফ্রিল বিশ্বাস। আগামী ২৯ ডিসেম্বর বাঘা পৌরসভা নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছেন। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘স্বাক্ষরজ্ঞান’।