তানোরে পূর্ব শত্রুতার জেরে গমের জমিতে পানি পাচ্ছেন এক প্রান্তিক কৃষক। সেচ দিতে না পারায় মরতে বসেছে ওই কৃষকের ৫ বিঘা জমির গমের আবাদ।
ঘটনাটি ঘটেছে তানোর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের জমির মাঠে। এ ঘটনায় এলাকার কৃষকদের মধ্য হতাশার পাশাপাশি চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ফলে যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
ভুক্ত ভোগী কৃষক ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, তানোর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের জৈনক ব্যক্তির পুত্র প্রভাবশালী আবদুল মান্নানের সাথে একই গ্রামের জৈনক ব্যক্তির পুত্র আবদুল হনির মধ্য জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ চলে আসছে।
আব্দুল মান্নানের অধীনে গভীর নলকুপের আওতায় আবদুল গনি ৫ বিঘা জমিতে গমের চাষ করেছেন। কিন্তু আবদুল মান্নান আবদুল গনির জমিতে সেচ প্রদান করবেন মর্মে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। ফলে নিরুপাই আবদুল গনি গমের জমিতে সেচ দিতে না পারায় তার গম মরতে বসেছে।
এব্যাপারে কৃষক আবদুল গনি বলেন, পূর্ব শুক্রতার জের ধরে আবদুল মান্নান তার জমিতে মেচ দিবেনা মর্মে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। অথচ আমার গমের আবাদের চারি পাশে অন্য কৃষকদের সকলেই সেচ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, গম রোপনের ২২ দিনের মধ্য সেচ প্রদান করতে হয়, কিন্তু আমার জমিতে গম রোপনের ২৯ দিন অতিবাহিত হলেও সেচ দিতে পারিনি।
তিনি আরো বলেন গমের জমিতে সেচদিতে না পারলে গম মরে যাবে এবং আমি ক্ষতি গ্রস্থ্য হবো, তিনি প্রশাসনের উর্ধবতন কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি ও হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এব্যাপারে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে গভীর নলকুপ অপারেটর আবদুল মান্নান এ প্রতিবেদককে জমি কার এমন উল্টো প্রশ্ন করে মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।