রাজশাহীর তানোরে খাস জমি দখলে নিতে ভুমিহীন পল্লীতে দলবলসহ হামলা, ভাংচুর, মারপিট ও লুটপাটের ঘটনা ঘটিয়েছে অধ্যক্ষ আতাউর রহমান।
বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে তানোর উপজেলার কৃষ্ণপুর কর্মকার পাড়ার ভুমিহীন পল্লীতে। এ সময় খবর পেয়ে তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পংকজ চন্দ্র দেবনাথ পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
পরে তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেখান থেকে চলে আসার পর রাত সাড়ে ৯ টার দিকে অধ্যক্ষ আতাউর রহমান আবারো তার দলবল নিয়ে সেখানে গিয়ে ভুমিহীনদের বিভিন্ন প্রকার হুমকি প্রদান করে ভুমিহীনদের অবরুদ্ধ রেখে দলবলসহ সেখানে ভুরিভোজ করেন।
এঘটনায় বৃহস্প্রতিবার সন্ধ্যায় কৃষ্ণপুর কর্মকার পাড়ার ভুমিহীন পল্লীর মৃত কার্তিক কর্মকারের পুত্র কালী দাস কর্মকার বাদি হয়ে কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত ইয়াদ আলীর পুত্র কৃষ্ণপুর মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ আতাউর রহমানকে প্রধান আসামি করে ১১জনের বিরুদ্ধে তানোর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ ও প্রত্যক্ষদর্শি ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, তানোর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের ৪০১ নং দাগের ভেস্টেড সম্পত্তির উপর দীর্ঘদিন থেকে প্রায় ১৪/১৫ টি ভুমিহীন পরিবার বাড়ি ঘর নির্মান করে বসবাস করে আসছেন। (ওই সম্পত্তির উপর বসবাসরত ভুমিহীনদের প্রধান মন্ত্রীর সরকারী ভাবে বঙ্গবন্ধুর বাড়িও নির্মান করে দেয়া হয়েছে)।
হঠাৎ বুধবার রাতে ভুমিহীন পল্লীর সামনের রাস্তার ধারের ফাকা পড়ে থাকা কোটি টাকা মুল্যের ওই সম্পত্তি দখলে নিতে অধ্যক্ষ আতাউর রহমান তার দলবল নিয়ে ওই ফাকা জায়গায় ভুরিভোজের আয়োজন করে এবং ভুমিহীন পল্লীতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর লুটপাট ও ভুমিহীনদের মারপিট করেন।
এবিষয়ে তানোর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পংকজ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, খবর পেয়ে সেখানে গেলে সকলেই পালিয়ে যায়। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তিনি বলেন, আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
এব্যাপারে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।