রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে বাঘা উপজেলার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মহিদুল ইসলাম। তার প্রতীক ছিল তালা মার্কা। মহিদুল ইসলাম উপজেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি।
সোমবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত একটানা ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বেলা আড়াইটায় দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার ও উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাণীসম্পদ অফিসার ডা. রোকুনুজ্জামান এই ফলাফল ঘোষণা করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আড়ানী পৌর আ.লীগের সভাপতি আবদুল মতিন মতি (উটপাখি) পেয়েছেন ৪৩ ভোট।
এছাড়া সাধরণ সদস্য পদে বাউসা ইউনিয়ন আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফতাব উদ্দিন (বৈদ্যুতিক ফ্যান) পেয়েছেন ৫ ভোট। চকরাজাপুর ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালাম (টিউবয়েল) ও বাঘা পৌর জিয়া পরিষদের সভাপতি শাহিন মন্ডল (হাতি) কোন ভোট পাননি।
বাঘা উপজেলা পরিষদ কেন্দ্রে সংরক্ষিত আসনে জয়জয়ন্তী সরকার মালতি (হরিণ) পেয়েছেন ৭০ ভোট, মর্জিনা বেগম (টেবিল ঘড়ি) পেয়েছেন ৬ ভোট, সাজেদা বেগম (দোয়াত কলম) পেয়েছেন ৩৯ ভোট, ফারজানা ইয়াসমিন (ফুটবল) পেয়েছেন ২ ভোট, মুনজুরা বেগম (মাইক) পেয়েছে ৩ ভোট। ময়না খাতুন (মই) কোন ভোট পাননি।
এদিকে চেয়ারম্যান পদে বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল (কাপ পিরিচ) পেয়েছেন ৭১ ভোট, আখতারুজ্জামান (মোটরসাইকেল) পেয়েছেন ৪৯ ভোট। আফজাল হোসেন (আনারস) ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার ইকবাল (তালগাছ) কোন ভোট পাননি।
উপজেলায় দুটি পৌরসভা ও সাতটি ইউনিয়নে মোট ভোটর সংখ্যা ১২০ জন। সকল ভোটার উপস্থিত ছিলেন। এ উপজেলা থেকে একটি সাধারণ সদস্য পদের জন্য ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।
এ বিষয়ে বাঘা উপজেলা নির্বাচন অফিসার মুজিবুল আলম বলেন, নির্বাচন সুষ্ট সুন্দরভাবে এবং শন্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারি পিজ্রাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার, পুলিশ, আনসার, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটে, র্যাব ও বিজিবির ষ্টাইকিং ফোর্সের মোবাইল টিম কাজ করেন।
উল্লেখ্য, রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, ৯টি ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদে ৩৮ জন এবং তিনটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ১৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ১৮৫ জন। উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান ও ওয়ার্ড সদস্য, পৌরসভার মেয়র ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলররা এই নির্বাচনে ভোট দেন।