খুলনার পাইকগাছায় কপিলমুনি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শারিরীক প্রতিবন্ধী কলেজ ছাত্র, মহিলা ও চিংড়ী ব্যাসায়ীসহ ৪ জনকে পিটিয়ে গুরুতর আহতসহ ২ লাখ টাকা ছিনতাইয়ে মামলা দায়ের। মামলার পর থানা পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছেন। এদিকে মামলা তুলে নিতে প্রভাবশালী কর্তৃক ভয়ভীতি ও হুমকির ঘটনায় আতঙ্কিত বাদি ও তার অসহায় পরিবার। এছাড়াও বাদির পরিবারের সদস্যদের বিররুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করতে লক্ষ টাকা নিয়ে মাঠে নেমেছে কতিপয় ব্যক্তিরা। মামলা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, প্রতিদিনের ন্যায় মৎস্য ব্যবসায়ী আবদুল জলিল রাত আনুমানিক ৯টার দিকে উপজেলার কপিলমুনি কাশিমনগর এলাকায় নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার পথিমধ্যে আসামীদের বাড়ি সন্নিকট প্রধান সড়কে প্রসাব করতে বসলে জনৈক বিধান মন্ডল নামে এক ভ্যান চালক তাকে চাপা দেয়াকে কেন্দ্র করে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। ওই সময় তাদের কথা শুনতে পেয়ে পার্শ্ববর্তী লোকজন এগিয়ে আসে এবং পূর্ব শত্রুতার জের ধরে স্থানীয় হাশেম, মনিরুল, আজিজগং ভ্যান চালকের পক্ষ নিয়ে বাকবিতন্ডার এক পর্যায় বাড়ি থেকে দেশীয় দা, শাবল, লাঠি, লোহার রড নিয়ে বাদি ও সাক্ষীদের বেধড় মারপিট করে আহত করে। এ সময় বাদি পুত্র আবদুল জলিলের কাছে বাগদা বিক্রয়ের ২ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর আশপাশের লোকজন এসে আহতদের উদ্ধার করে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করার জন্য পাঠিয়ে দেন। খবর পেয়ে স্থানীয় কপিলমুনি ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলা নম্বর ৩১, ২৬ আগস্ট। মামলায় পুলিশ ১জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে। এদিকে আসামিরা বাদি ও তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি অব্যাহত রেখেছে। এলাকার প্রভাবশালী একটি মহল মামলা তুলে নিতে ভয়ভীতি ও জীবননাশের হুমকি দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাদি ও তার পরিবার।