কয়রায় মিথ্যা তথ্য প্রদান করে সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের কালীকাপুর গ্রামের মৃত্যু আলী গাজীর পুত্র আঃ হামিদ গাজী। শুক্রবার বেলা ১১ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তিনি বলেন, গত ১৭ আগস্ট কয়রা উপজেলার বাবুরাবাদ গ্রামের শফিকুল গাজীর স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন সংবাদ সম্মেলনে আমাদের বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ করেছে তা সম্পুন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। তিনি প্রকৃত ঘটনাটি আড়াল করে ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান করে সংবাদ সম্মেলন করেছে। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়েছে আমি আমার কন্যা ফাতিমা বেগমকে দিয়ে তার স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছি। আদৌও মামলাটি মিথ্যা নয়। মামলার বিষযটি হলো যে, আমার কন্যা ফাতিমা বেগমকে তার দেবর শফিকুল ও তার প্রতিবেশি সাকিম গাজী প্রায় সময় উত্তাক্ত্য করতো। সে তাদের কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় নানা সময় তাকে নির্যাতন করা হতো। আমার কন্যার দেবর হওয়ার সুবাধে প্রতিবাদ করতে সাহস পেতনা সে। এক পর্যায় গত ১৭ মে গভীর রাতে শফিকুল ও তার প্রতিবেশি সাকিম গাজী জোরপুর্বক আমার কন্যাকে ধর্ষন করে। বিষয়টি আমি জানার পর আমার কন্যাকে দিয়ে কয়রা থানায় নারী ও শিশু নির্যাত দমন আইনে মামলাটি দায়ের করতে বাধ্য হই। ইতঃপূর্বে তাদের কথা না শুনার কারণে আমার কন্যার বসত বাড়ীতে ইট পাটকেল মেরে টিনের চাল ভেঙ্গে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। তারা আরও অভিযোগ করেছে পারিবারিক হাঁস-মুরগী বাড়ীতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে কথাকাটাটির বিষয়টি নিয়ে তার জের ধরে মামলাটি করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযোগ শুধু কাল্পনিক ও বানোয়াট। মামলার বিষযটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য এ ধরনের অপ্রচার চালাচ্ছে। মামলার আসামীদের পক্ষ থেকে মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি অব্যাহত রেখেছে তারা। ইতঃপূর্বে শফিকুলের বিরুদ্ধে শিশু ও নারী নির্যাতন আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ওই মামলার বিষয়টি যাতে ন্যায় বিচার পেতে পারি তার জন্য প্রশাসন সহ সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।