কয়রা পাইকগাছার সংসদ সদস্য আলহাজ¦ মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু বলেছেন, স্বাধীনতা বিরোধীদের দাসর খুনি চক্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে বাঙালী জাতির কপালে কালিমা লেপন করেছে। খুনি চক্র এ দেশ থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলতে চেয়েছিল, তারা সফল হয়নি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। তাই আজকের শোককে শক্তিতে রুপান্তর করে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে রুপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়ন করে উন্নত সমৃদ্ধ এবং জাতির পিতার সোনার বাংলা গড়তে সকলকে একযোগে কজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, তরুন প্রজন্মের অদম্য শক্তি এবং পুরাতনদের অভিজ্ঞতা কে কাজে লাগিয়ে একটি কুচক্রীমহলকে প্রতিহত করে দলকে সুসংগঠিত করতে হবে। সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদাত বার্ষিকী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। গত ১৫ আগস্ট বিকাল ৩ টায় উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে সুন্দরবন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম মোহসিন রেজা। ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নিশিত রঞ্জন মিস্ত্রির পরিচালনায় শোক দিবসের আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা আ.লীগের কোষাধাক্ষ্য ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল আলম, জেলা সদস্য রফিকুল ইসলাম সানা, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ এসএম শফিকুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাড. কমলেশ চন্দ্র সানা, ইউপি চেয়ারম্যান আঃ সামাদ গাজী, আলহাজ¦ সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, আওয়ামী লীগ নেতা মাষ্টার কফিল উদ্দিন, খগেন্দ্রেনাথ মন্ডল, জাফরুল ইসলাম পাড়, এ্যাড. মোশারফ হোসেন, ইয়াকুব আলী, এসএম হারুন অর রশিদ, প্রভাষক শাহাবাজ আলী, সুজিৎ কুমার রায়, অধ্যক্ষ ড. চয়ন কুমার রায়, অধ্যক্ষ অদ্রিশ আদিত্য মন্ডল, এস এম জিয়াদ আলী, মাষ্টার খায়রুল আলম, নির্মল চন্দ্র দাস, দেবদাস রায়, সমরেষ মন্ডল, যুবলীগ নেতা জিএম আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলু,ইমদাদুল হক টিটু, এ্যাড. আরাফাত হোসেন, ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম টিংকু, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক বাদল, শ্রমিকলীগ নেতা আঃ হালিম, কৃষকলীগ নেতা শাহিনুর রহমান, সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আকতারুল ইসলাম সৌরভ, জেডএম হুমায়ুন কবির নিউটন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তার সকল সহযোগী সংগঠনের শত শত নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।