খুলনার দিঘলিয়ায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের প্রথম দিনে দিঘলিয়া উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে সাংবাদিকদের সাথে এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের প্রথম দিনে শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় 'নিরাপদ মাছে ভরবো দেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ' এ প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়ে এ মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। দিঘলিয়া উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত এ মত বিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহবুবুল আলম। ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিঘলিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ মারুফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিঘলিয়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম, দিঘলিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এমএ রেজা বাচা, আড়ংঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম ফরিদ আকতার, যোগীপোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সাজ্জাদুর রহমান লিংকন, সহকারি মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মহসিন। এ মত বিনিময় সভায় স্থানীয় প্রিন্টিং ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন। দেশী মাছ ও মাছের আবাসাস্থল রক্ষার ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের গৃহীত পদক্ষেপের উপর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উপর আলোকপাত করে বক্তব্য রাখেন দিঘলিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ মারুফুল ইসলাম ও সিনিয়র মৎস্য অফিসার মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম। সভার সভাপতি ও দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহবুবুল আলম দেশের বর্তমান লোডশেডিংয়ের প্রেক্ষাপটে সরকারের সকল পদক্ষেপের ব্যাপারে ব্যবসায়ীসহ সকলমহলকে সচেতন করার ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রতি আহবান জানান।
পাশাপাশি দিঘলিয়া উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী পৃহীত কর্মসূচীর সফল প্রচারের মাধ্যমে প্রসার ঘটিয়ে জাতীয় কর্মসূচীকে সফল করার আহবান জানান। পাশাপাশি নিরাপদ মাছ চাষে সকল মাছ চাষি যাতে এগিয়ে আসেন সে ব্যাপারে তাদের সচেতনতা তৈরিতে সংবাদিকদের এগিয়ে আসার আহবান জানান। সভায় উপস্থিত বিশেষ অতিথি ও আড়ংঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম ফরিদ আকতার বলেন, নিরাপদ মাছ চাষের জলাশয় ও মৎস্য সম্পদকে টিকিয়ে রাখতে হলে অপরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প ও মাটি ভরাট, বালু ভরাট করে অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর নির্মাণ করে ব্যবসা চলানো ও গ্রামের প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংশ করে নতুন নতুন আবাসনের ব্যবসা সরকারিভাবে আইন করে আইনের সফল কার্যকর না হলে অদূর ভবিষ্যতে মাছ চাষের জন্য জলাশয় খুঁজে পাওয়া যাবেনা।