ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ রেলওয়ে উচ্চবিদ্যালয়ের ১৯৯২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা ৩০ বছর পর শুক্রবার দিনভর একসঙ্গে সময় কাটায়। 'বন্ধু মিলনমেলা' নামে তাদের এক আয়োজনে প্রাণের উচ্ছাসে দেখা যায়। 'এসো মিলি উচ্ছ্বাসে, প্রাণের রেলওয়ে স্কুল ক্যাম্পাসে' এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ১৯৯২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা একত্র হয়। আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. তাকজিল খলিফা কাজল পরিবারসহ এ আয়োজনে অতিথি হিসেবে যোগ দেন। অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক রাকিব আহামদ খান ও বর্তমান প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান খানও। সারাদেশ থেকে আগত বন্ধুদের আগমনে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ যেন নতুন উদ্যোমে জেগে উঠে। মিলন মেলার প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা গেল পুরানো বন্ধুকে কাছে পেয়ে গল্প গুজবের সাথে সেলফি তুলে মুহুর্তটাকে স্মরণীয় করে রাখছেন। কেউ কেউ আবার সাফল্যের বর্ণনা দিচ্ছেন বন্ধুকে।
আয়োজকরা জানায়, বিদ্যালয়ের ১৯৯২ সালের ব্যাচের ৪২ জন শিক্ষার্থীর পরিবারসহ ১৫০ জন এই মিলন মেলায় অংশগ্রহণ করে।সকালের নাস্তার পর পরই শুরু হয় গ্রামীণ খেলা। যেখানে অংশ নেয় ডাক্তার, শিক্ষক, উকিল, পুলিশসহ নানা শ্রেণী পেশার বন্ধুরা। দুপুর গড়িয়ে আসলে সবাই এক সাথে যোগ দেন মধ্যহ্নভোজনে। তারপর আবার সবাই মেতে উঠেন আড্ডা,গান, কবিতা আবৃত্তি ও ছবি তোলায়। বিকালে রাফেল ড্র ও পুরস্কার বিতরণের মাধমে শেষ হয় প্রাণের মিলন মেলা। তারা আরো জানায়, বন্ধুদের একটা বিশাল প্লাটফর্শ তৈরি করাই এর মূল উদ্দেশ্যে। এখন থেকে বছরে অন্তত একটা দিন বসবে বন্ধুদের এ মিলনমেলা। এতে শুধু বন্ধুরাই নয় থাকবে তাদের পরিবারের সদস্যরা।
বন্ধু মিলন মেলা আয়োজনের আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. হাফিজুর রহমান ও সদস্য সচিব নাজমুল ভ’ঁইয়া ভোরের কাগজকে বলেন, বন্ধু মিলনমেলা অনুষ্ঠান দিনব্যাপী সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুরের তালে বলতে ইচ্ছে করছে আবার হবে দেখা, এখনই শেষ দেখা নয়। আবার হবে কথা, এখনই শেষ কথা নয়।