খুলনার পাইকগাছা পৌরসদরে জমিরদখল দ্বন্ধে দু'পক্ষের হাতাহাতি ও মারপিটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নির্মাণ কাজ বন্ধের কথা বলে আসছেন। আহত দু'জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। শুক্রবার পৌরসভার সরল জিরোপয়েন্ট এ ঘটনাটি ঘটেছে। থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছেন, সরলের জিরোপয়েন্ট নামক স্থানে মৃত. গোষ্ট বিহারী মন্ডলের ছেলে ব্যবসায়ী অমরেশ মন্ডল ১বছর পূর্বে সরলের সৃত. বিমল মন্ডলের দু'ছেলে সন্ন্যাসী ও নিমাই মন্ডলের কাছ থেকে ৮শতক জমি ক্রয় করেন। কিন্তু জমি ক্রয়ের পর সরলের মৃত. মনোরঞ্জন মন্ডলের ছেলে ব্যবসায়ী অমর মন্ডল এ জমির স্বত্ত্ব নিজের জোরালো দাবী করলে নিকটাত্মীয় দুটি পরিবার দ্বন্ধে জড়িয়ে পড়েন। স্থানীয়ভাবে সালিশী সভায় সমাধান না হলে থানা পর্যন্ত গড়ায়। গত ক'দিন ধরে উভয় পক্ষের কাগজপত্র ও আইনজীবী নিয়ে থানায় বসাবসি হলে সিদ্ধান্ত মতে আমিনদ্বারা পরিমাপ হয়। সর্বশেষ শুক্রবার সকালে অমরেশ মন্ডল নির্মাণ কাজ শুরু করলে অমর মন্ডল ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ বন্ধের কথা বলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, এ সময় দু'পক্ষের লোকজন জড়ো হলে কথা কাটাকাটি ও উত্তেজনার একপর্যায়ে হাতাহাতি ও মারপিটের ঘটনা ঘটে। অমর মন্ডল এ জমি নিজের দাবী করে অভিযোগ করেন, আমি ঘটনাস্থলে পৌঁছানো মাত্রই কথা বলার চেষ্টা করলে ভাই অমরেশ ও যুগোল মন্ডলের ছেলে সাধন সহ কর্মচারীরা ইট দিয়ে আমার হাঁটু ও কোমরে আঘাত দিয়ে জখম করে আহত করে। কিন্তু এ অভিযোগ অস্বীকার করে অমরেশ মন্ডল বলেন, আমি জমি ক্রয়ের পর নাম জারি সহ কর খাজনা দিয়েছি। থানায় বসাবসি ও আমিন দিয়ে জরিপ করা হয়। এরপর শুক্রবার জমিতে টিনের ঘর নির্মাণ শুরু করি। এ সময় বড় ভাই অমর মন্ডল অহেতুক বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করলে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে সে আমার ডান চোখে আঘাত করে জখম করে। এসআই উত্তম চক্রবর্তী বলেন, জরুরী ডিউটি পালনকালে কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়। তবে হাতাহাতি ধস্তাধস্তি ছাড়া বড় ধরনের মারপিটের কোনো ঘটনা ঘটেনি। একজন হাটুতে অন্যজন চোখে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। ওসি মো. জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, জিরোপয়েন্ট এ জমির বিরোধে গন্ডগোলের খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তিনি আইনীব্যবস্থা নেওয়া হবে।