খুলনার পাইকগাছায় কপিলমুনি ছেলের উপর অভিমান করে শুক্রবার রাতে অনাথ সাধু (৬০) নামে এক পিতা হারপিক পান করে আত্মহত্যা করেছে। তিনি স্থানীয় নাছিরপুর গ্রামের মৃত সূর্য্য সাধুর ছেলে ও কপিলমুনি সদরের মেসার্স সূর্য্য ষ্টোরের মালিক। পারিবারিক সূত্র দাবি করছে, তিনি বেশ কিছুদিন ধরে শারীরিক অসুস্থ্যতায় মানষিক রোগে ভূগছিলেন। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার দোকানের হালখাতা ভাল না হওয়ায় খরিদ্দাররা ক্রমান্বয়ে হালখাতা করতে আসছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে একমাত্র ছেলে সুমন সাধু বায়না ধরে স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেল চড়ে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখতে যাবেন। তবে, তাতে বাঁধ সাধেন পিতা অনাথ। তার দাবি, ভীঁড়ে অনুষ্ঠান কিংবা সেতু কোনটাই দেখা সম্ভব নয়। তাকে দোকানে একা ছেড়ে স্ত্রীকে নিয়ে বাইক চেপে পদ্মা সেতু দেখতে গেলে ক্ষতির দিকটাই বেশি। তবে নিষেধ স্বত্ত্বেও ছেলে স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেল চড়ে শুক্রবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৬ টার দিকে অনাথ সাধু মনের দু:খে, ক্ষোভে ছেলের উপর অভিমান করে হারপিক পান করেন। হারপিক পানের বিষয়টি বুুুুুুুুুুুুুুুুুুুঝতে পেরে তার স্ত্রী তাৎক্ষণিক তাকে প্রথমে কপিলমুনি আমেনা ক্লিনিক ও পরে রাত ১০ টা নাগাদ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। স্থানীয় কপিলমুনি কলেজের প্রভাষক ও অনাথের নিকটাতœীয় তাপস কুমার সাধু ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ছেলেকে বৌমাসহ মোটরসাইকেলে চড়ে পদ্মা সেতু দেখতে নিষেধ করা স্বত্ত্বেও ছেলে সুমন তার নির্দেশ অমান্য করায় তিনি হারপিক পান করেন। পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউর রহমান জিয়া পারিবারিক সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, তিনি দীর্ঘ দিন ধরে শারীরিক অসুস্থ্যতায় মানষিক রোগে ভূগছিলেন। তবে তিনি ঠিক কি কারণে আত্মহত্যা করেছেন তার বিস্তারিত জানাযায়নি।