কয়রা-পাইকগাছার সংসদ সদস্য আলহাজ¦ মোঃ আকতারুজ্জামান বাবু বলেছেন, শেষ হয়ে আসছে প্রতিক্ষা, আর মাত্র কয়েক দিন পর ঘুরে যাবে খুলনাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের চাকা। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন সপ্নের পদ্মা সেতু। আর এই পদ্মা সেতু বর্তমান সরকারের আত্মমর্যাদার প্রতীক এবং চিরস্মরনীয় হয়ে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখবে। সোমবার বিকাল ৩ টায় কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের এক বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন। পদ্মা সেতু উদ্বোধন সফলের লক্ষে কয়রা সদরের সুন্দরবন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের হলরুমে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম মোহসিন রেজার সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নিশিত রঞ্জন মিস্ত্রীর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কয়রা-পাইকগাছার জাতীয় সংসদ সদস্য। সভায় উপজেলা আওয়ামীলীগসহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে আগামী ২৩ জুন দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এ ছাড়া সভায় ২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী সভায় যোগ দিতে নেতাকর্র্র্মীদের উদ্দ্যেশ্য সংসদ সদস্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, পদ্মাসেতু চালু হলে খুলনাঞ্চলের মানুষ বেশি সুবিধা ভোগ করবেন। কারণ খুলনার সকল উপজেলার সাথে শহরের সরাসরি যোগাযোগ থাকায় এ অঞ্চলের সকল ধরনের ব্যবসায়ীরা রাজধানীর সাথে পদ্মাসেতু হয়ে দ্রুত যোগাযোগ করতে পারবেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ এস এম শফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. কেরামত আলী, মহারাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ^রীপুর ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, আমাদী ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল, উত্তর বেদকাশি ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম কোম্পানি, উপজেলা আ.লীগের সহ সভাপতি মাষ্টার কফিল উদ্দীন, শাহাবুদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক জাফরুল ইসলাম পাড়, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. মোশাররফ হোসেন, প্রচার সম্পাদক এসএম হারুন অর রশীদ, দপ্তর সম্পাদক সুজিত কুমার রায়, সংস্কৃতি সম্পাদক প্রভাষক শাহাবাজ আলী, কোষাধাক্ষ্য ইয়াকুব আলী, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ফজর আলী, যুবলীগ নেতা জিএম আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলু, এ্যাড. আরাফাত হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি শরিফুল ইসলাম টিংকু, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক বাদল সহ ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা আ.লীগ সহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।