দিঘলিয়ার উত্তর চন্দনীমহল মোকামপুর খেয়াঘাটে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীদের হামলায় ৪ জন আহত। আহতদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশংকাজনক।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ জুন মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে একটা চিহ্নিত সন্ত্রাসী চক্র পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে প্রথমে উত্তর চন্দনীমহলের মৃত ওহাব মোল্লার পুত্র আলমগীর মোল্লা (৪৫) এর উপর চড়াও হয়। এ সময় তারা ধারালো রামদা দিয়ে আলমগীর মোল্লাকে কুপিয়ে খুন জখম করে। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনার পরবর্তীতে এ সকল চিহ্নিত সন্ত্রাসী চক্র পরিকল্পিতভাবে চন্দনীমহল নিবাসী জলিল গাজীর পুত্র রানা গাজীর (১৯) উপর চড়াও হয়। তাকে জুতি দিয়ে কুপিয়ে মারাতœক খুন জখম করেছে। এ সময় উদ্ধারে এগিয়ে এলে একই এলাকার বাবুলের পুত্র রাজু (১৯) ও মিজান (১৬) সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত হয়েছে। এলাকাবাসী রানা গাজীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে। তার অবস্থা আশংকাজনক। জানা গেছে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হতে পারে।
রানা গাজীর পরিবারের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, এলাকার সংঘবদ্ধ চিহ্নিত সশস্ত্র সন্ত্রাসী চক্র পূর্বপরিকল্পিতভাবে এ হমলা চালিয়েছে। হামলার সাথে জড়িতরা হলো- কবির, নাসির, সাঈদ, রুহুল আমিন, আঃ হক, ইউছুপ, ইসলাম, জামাল শেখ, শহিদ,শরিফুল, সাগর আলীসহ অজ্ঞাত আরো ৬/৭ জনের নাম জানিয়েছেন রানা গাজীর স্বজনেরা। এদিকে ঘটনার পর দিঘলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আহসান উল্লাহ চৌধুরী ও সেনহাটি পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই রিপন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতরা এলাকা থেকে পালিয়েছে। আহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে এ প্রতিবেদককে জানান, আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এ ব্যাপারে দিঘলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ আহসান উল্লাহ চৌধুরী এ প্রতিবেদককে জানান, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।