ডুমুরিয়ার পল্লীতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের হাতে এক দম্পতি মারপিটের শিকার হয়ে গুরুত্বর আহত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দিবাগত মধ্যে রাতে উপজেলার সাহস গ্রামে।
ঘটনার সাথে জড়িত ২ জন কে আটক করে পুলিশ।
থানা পুলিশ,ভূক্তভোগী দম্পতি ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ডুমুরিয়ার সাহস গ্রামের হত দরীদ্র কৃষক হামিদুল কাজীর সাথে তার ভাইপো মহিদুল কাজি ও মফিজুল কাজীসহ অন্যানদের সাথে বিগত ইউপি নির্বাচন কে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছিলো।পূর্ব বিরোধের জের ধরে সোমবার দিবাগত রাতে প্রতিপক্ষ ভাইপো মহিতুল কাজী ও মফিজুল কাজী,প্রতিবেশী সোবহান ফকির, মোমিন ফকির,জাফর সরদারসহ তাদের অন্যান সহযোগীরা হামিদুল কাজীর বাড়িতে ঢুকে অতর্কিত ভাবে তাকে মারপিট ও হামলা করে আহত করে। এ সময় হামিদুলের স্ত্রী সালমা বেগম ঠেকাতে গেলে তাকেও বেদম মারপিট করে আহত ও শ্লীলতাহানী ঘটায়।
খবর পেয়ে ডুমুরিয়া থানার কর্তব্যরত এস,আই মোঃ ফরিদুজ্জামান সংগীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত দুই জনকে আটক এবং আহত দম্পতি কে উদ্ধার করে ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এ বিষয়ে হাসপাতালে চিকিৎসারত ভূক্তভোগী হামিদুল কাজি বলেন, বিগত ইউপি নির্বাচনে আমরা সাহস ওয়ার্ডের বিজয়ী মেম্বর সিরাজ সরদারদের পক্ষ অবলম্বন করি। অপরদিকে আমার ভাইপো মহিতুল ও মফিজুলরা পরাজিত প্রার্থী কামরুল সরদারের পক্ষে ছিলো। সেই থেকে এলাকায় দুই গ্রুপের বিরোধ এবং মারামারির ঘটনা ঘটে আসছে। তারই জের ধরে আমাকে ওরা মারপিট করেছে।তিনি আরো বলেন,এলাকার একটি প্রভাবশালী মহাল আমাকে থানায় মামলা করতে নিষেধসহ বিভিন্ন ক্ষয়-ক্ষতির হুমকি দিচ্ছে। এ বিষয়ে থানার এস,আই মোঃ ফরিদুজ্জামান জানান,ঘটনার সাথে জড়িত অভিযোগে আটক মোমিন ফকির ও সোবহান ফকির কে ১৫১ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও কেউ মামলা দায়ের করেন নি। করলে পরবর্তি আইনগত ব্যবস্হা নেয়া হবে।