খুলনার পাইকগাছায় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ও পৌরসভার মহিলা ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সীল ও স্বাক্ষর জাল জালিয়াতি করে কোবলা দলিল সৃষ্টি। ঘটনায় মামলায় আটককৃত আসামি পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে। মামলা ও ভুক্ত ভোগীদের অভিযোগে জানা যায়, পাইকগাছা পৌরসভার বাতিখালী মৌজায় সি এস ও এস এ রেকর্ডীয় মালিকের ওয়ারেশ ঊষা রানী বাইন ও প্রেমা বাইন। ওই জমি কোটি কোটি টাকা মূল্য হওয়ায় নজর পড়ে উপজেলার আলমতলা গ্রামের আমিরুল ইসলাম চঞ্চল সহ কয়েকজনের। জনৈক সবুজ মন্ডল, চিত্তরঞ্জন মন্ডল ওই জমি আত্মসাতের ফন্দি আটতে থাকে এবং উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা লতিফা আক্তারের সীল ও স্বাক্ষর জাল করে খাজনা দাখিলা পরিশোধ কাগজ তৈরি করেন। পাইকগাছা পৌরসভার ৪, ৫, ৬ ওয়ার্ড মহিলা কাউন্সিলর কবিতা রানীর সীল ও স্বাক্ষর জাল করে ওয়ারেশ কায়েম সনদ তৈরি করে পাইকগাছা উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রী অফিস থেকে জনৈক দলিল লেখকের সহযোগিতায় ৪/৩/২২ তারিখে ১৩০২ নং কোবলা দলিল সৃষ্টি করেন। তার পর আমিরুল ইসলাম চঞ্চল ও তার লোকজন ২৬/৪/২২ তারিখে জমি দখল চেষ্টা করলে জমির মালিক ঊষা রানী বাইনের জামাতা অমিয় মন্ডল বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে পাইকগাছা থানায় মামলা করে। যার নং ১৯, তারিখ ১৪/৫/২২। ওই মামলায় পুলিশ আমিরুল ইসলাম চঞ্চলকে আটক করে ১৫/৫/২২ তারিখ ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চালান দেন। বিজ্ঞ আদালত ২/৬/২২ রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য জেল হাজতে প্রেরণ করে। বৃহস্পতিবার আদালত শুনানি অন্তে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শুক্রবার সকালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আনজির বলেন, জ্ঞিগাসাবাদে মূল্যবান তথ্য বেরিয়ে আসছে। তবে তদন্তের স্বার্থে কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।