খুলনার পাইকগাছায় চাঁদখালী ইউপির নৌর নদীর উপর প্রায় দেড় যুগ পূর্বে সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুর দু’পারে এ্যাপ্রোচ সড়ক যেনতেন ভাবে ইটের সলিং করা হয়। কয়েক মাসের মধ্যে সলিং উঠে স্বাভিক যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঝুঁকি নিয়ে পায়ে হেটে পারাপার হতে হয়। আজও সংস্কার হয়নি। স্থানীদের জন্য সেতু এখন মরণ ফাঁদ হয়েছে। দ্রুত এ্যাপ্রোচ সড়ক সংস্কার করে যাতয়াতের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আক্তারুজ্জামান বাবু, উপজেলা চেয়ারম্যান, নির্বাহী কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। সরেজমিনে দেখা যায়, দু’পারে এ্যাপ্রোচ সড়ক ইটের সলিং উঠে সেতুটিতে উঠা-নামা ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে। আগামী বর্ষা মৌসুম এলাকাবাসীর কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ছে। ভোটের আগে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা বারংবার সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিলেও এখন তাদের টিকিটিও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে স্থানীয়রা জানান। কয়েক বছর আগে সরকারি ভাবে জন সাধারণের উঠা নামার জন্য সংস্কার কাজে বরাদ্দ হলেও বাস্তবায়ন না হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। চাঁদখালী ইউনিয়নের বাদুড়িয়া মোবারেক সানা, উত্তর গড়ের আবাদ আরশাদ আলী মোড়লে বাড়ীর সামনে নৌর নদীর উপর ব্রিজটি। প্রতি দিন শত শত মানুষ, বহু ভাড়াই চালিত মোটরসাইকেল, নসিমন, অটোগাড়ী ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছে। নিত্যদিন লেগেই আছে দুর্ঘটনা, সমস্যায় পড়ছে ব্যক্তিগত গাড়ীর মালিকরাও। উত্তর গড়ের আবাদ বাসিন্দা কবিরুল সহ অনেকই বলেন, কম পথ ও গাড়ী ভাড়া কম, সময় বাঁচাতে শুকনা মৌসুমে আমাদের রাস্তা দিয়ে বসতবাড়ি নির্মাণ-সামগ্রীর জন্য প্রয়োজনীয় মালামাল সহজে বহন করে এলাকাবাসী। কিন্তু ব্রিজের দু’পারো গাড়ী উঠা নামা উপযোগী না থাকায়, ৪/৫কিলোমিটার পথ চৌহমুনী বাজার ঘুরে বেশী ভাড়া দিয়ে মালামাল আনতে হয়। নসিমন চালক মুরছালিন সরদার বলেন, একাধিকবার ব্রিজ পার হতে যেয়ে সমস্যায় পড়েছি, খালি নসিমন পার করতে গেলে ২/৩জন লোক ধরতে হয়। বৃষ্টির সময় আমার গাড়িটি বাড়ীর নেওয়ার কোন উপার থাকে না। স্থানীয় এমএ হাশেম বলেন, আমি একাধিক বার ইউপি চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট অন্যদেরকে অবহিত করলেও আজও টেঁকসই সংস্কার হয়নি। দ্রুত সংস্কার করে যাতয়াতের উপযোগীর দাবিতে স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।