খুলনার পাইকগাছায় আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরতে যাচ্ছে কৃষক লীগ নেতৃত্বে। অচিরেই উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সম্মেলনের মধ্য দিয়ে নতুন নেতৃত্বে পথে সংগঠনটি। এবারের সর্বোচ্চ পদে ছাত্রলীগ করে আসা, আওয়ামী পরিবারের সন্তান, ত্যাগী ও ক্লিন ইমেজ, দলের দুঃসময়ে যারা দলের পাশে ছিলেন এমন নেতাকর্মীদের মধ্য থেকেই সংগঠনটির সর্বোচ্চ দু’টি পদে নেতা নির্বাচিত হবেন আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। দলীয় সূত্রমতে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতির জনকের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র হাতকে আরো শক্তিশালী করতে কেন্দ্রের নির্দেশনা মেনে কৃষকলীগের সাংগঠনিক ভীত আরো মজবুত করতে প্রত্যেকটি উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠনে জোরে সোরে মাঠে নেমেছে কৃষকলীগ। এ ধারাবাহিকতায় সারা দেশের ন্যায় পাইকগাছা উপজেলা ও পৌরসভা কৃষকলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনকে সামনে রেখে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মাঝে উৎসব মুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিনই কোন কোন না কোন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে বর্ধিত সভার মাধ্যমে আসন্ন সম্মেলনকে সফল করার লক্ষে সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল করা হচ্ছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কৃষক লীগে ত্যাগী ও ক্লিন ইমেজের ব্যক্তিরাই শীর্ষপদে স্থান পাবেন। দলের দুর্দিনে যারা রাজপথে আন্দোলন করেছেন তাদেরকেই মূল্যায়ন করা হবে। তবে বিদ্রোহীরা ও তাদের কর্মীরাসহ মাদক ব্যবসা ও ভূমি দস্যুতার সাথে জড়িত তাদের কোনোভাবেই দলে ঠাঁই হবে না জানিয়ে দেন। রোববার সরেজমিনে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা জানান, আসন্ন সম্মেলনের মাধ্যমে দলের ত্যাগী, পরিক্ষিত ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকদের হাতে নতুন দায়িত্বভার তুলে দেওয়ার আহবান জানিয়ে বঙ্গবন্ধুর নৌকার সাথে যারা বেইমানী করেছে তারা যেন পদ না। সর্বোপরি তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ঝিমিয়ে পড়া এ অঙ্গসংগঠনটি স্থানীয় সাংসদ আলহাজ¦ মো. আক্তারুজ্জামান বাবু'র নিরালস প্রচেষ্টা ও সহযোগীতায় বর্তমানে এটি শক্তিশালী অঙ্গসংগঠনে রূপ নিয়েছে। উপজেলা কৃষকলীগের সদস্য সচিব সহকারি অধ্যাপক মাইনুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, অচিরেই ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সম্মেলন পূর্বক উপজেলা ও পৌরসভার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনে দলের ত্যাগী, পরিক্ষিত ও আওয়ামী চেতনায় বিশ্বাসী নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন করা হবে। তবে কোন ভাবেই বিদ্রোহীরা সহ তাদের কর্মীরা কোন পদ পাবে না। খুলনা জেলা কৃষকলীগের সাধারন সম্পাদক মো. মানিকুজ্জামান অশোক মুঠোফোনে জানান, আমরা টাকার বিনিময়ের কোন কমিটি বিক্রি করি না এবং তদবিরের মাধ্যমে কেউ কমিটিতে আসতে পারবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা কৃষকরতœ শেখ হাসিনার সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দলের দুর্দিনে রাজপথে আন্দোলনকারি, যোগ্য, পরিক্ষিত, আওয়ামী চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন করা হবে। একইসাথে তিনি আরো জানান, বিদ্রোহীরা সহ তাদের কর্মীদের কোন ভাবেই কমিটিতে ঠাঁই দেওয়া হবে না।