খুলনার পাইকগাছায় ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশবাদী সংগঠন বনবিবির উদ্যোগে রোববার বিকালে উপজেলার গদাইপুর মাঠে ঘুড়ি উৎসব ও প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ঘুড়ি উৎসবে অংশগ্রহণ করেন গদাইপুর ইউনিয়ানের অপূর্ব ঘোষ, মুজাহিদ হোসেন, সৌমিক সরকার, মো. আলী, আপন দাশ, পরশ দাশ, মোজাহিদ ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, সৌরভ চৌধুরী, শুভ চৌধুরী, তামিম গাজী, খালিদবিন জাকির ও নিলয় সরকার প্রমুখ। ঘুড়ি উৎসবে তাঁরাঘুড়ি, সাপঘুড়ি, লণ্ঠনঘুড়ি, দোল, বেত ঘুড়িসহ নানা ধরণের ও রং বেরং এর ঘুড়ি দেখা যায়। ঘুড়ি গ্রতিযোগিদের মধ্যে ১ম অপূর্ব ঘোষ, ২য় মুজাহিদ হোসেন ও ৩য় হয়েছে সৌমিক সরকার। গ্রতিযোগিদের মধ্যে পুরুস্কার প্রদান করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বনবিবির সভাপতি সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান, বনবিবির সদস্য কবি সুশান্ত বিশ্বাস, কৃষ্ণপদ ভদ্র, তাপস রায় ও অভিজিত রায় প্রমুখ। ঘুড়ি উৎসব ও প্রতিযোগিতায় এলাকার শিশু কিশোরসহ প্রচুর দর্শক উপস্থিত ছিলো।
ঘুড়ি ওড়ানো একটি মজার খেলা। সুতা টেনে আকাশে ঘুড়ি ওড়ানো হয়। এটি বিনোদন মুলক খেলা। বহু দেশে ঘুড়ি ওড়ানোর উৎসব ও প্রতিযোগিতা করা হয়। পাতলা কাগজ, পলিথিন ও কাপড়ের সাথে চিকন শলকা লাগিয়ে ঘুড়ি তৈরি করা হয়। বিভিন্ন ধরন, নানা উপাদানে ও নকশায় ঘুড়ি তৈরি হয়। প্রায় ২৮ শত বছর পূর্বে চিন দেশে প্রথম ঘুড়ির উৎপত্তি হয়। পরবর্তিকালে এটি বাংলাদেশ, ভারত, জাপান, কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। ঘুড়ির সুতা কাটাকাটি একটি মজার খেলা। আধুনিককালে ঘুড়িগুলোয় সিনথেটিক জাতীয় কাপড়ের প্রচলন বেড়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ঘুড়ি বিশ্বের নানা দেশে ওড়ানোর প্রচলন রয়েছে। দেশে বিভিন্ন উৎসবে ঘুড়ি ওড়ানোর প্রতিযোগিতা ও উৎসব হয়।