খুলনার পাইকগাছায় জনপ্রিয়তা পেয়েছে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত বিভিন্ন প্রজাতির শাকসবজি। প্রতিদিন সন্ধ্যায় পৌর সদরের ফুটপাতে এ ধরণের প্রাকৃতিক শাকসবজি বিক্রি করা হয়। উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামের মৃত জব্বার খাঁ ছেলে আবদুল জলিল খাঁ এসব শাক তার নিজের ক্ষেতে উৎপাদন করেন। সচারাচর এলাকার প্রতিটি হাট-বাজার দিনে কিংবা সন্ধ্যায় হয়ে থাকে এবং এমন বিশেষ কোন হাট বাজার নাই যেখানে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত বিভিন্ন প্রজাতির শাকসবজি পাওয়া যায়। অথচ এ শাকসবজির প্রতি সাধারণ মানুষের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। কিন্তু প্রাপ্তির অভাবে এতদিন সাধারণ মানুষ প্রাকৃতিক শাকসবজির স্বাদ থেকে বঞ্চিত ছিলো। মানুষের চাহিদা এবং গুণগত মান সম্মত পুষ্টির কথা বিবেচনা করে কৃষক জলিল নিজ গ্রামে ৩ বিঘা জমি লিজ নিয়ে সেখানে কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫ ধরণের দেশীয় প্রজাতির শাকসবজির আবাদ করেছেন। উৎপাদিত এসব শাকসবজি সন্ধ্যায় তিনি পৌর সদরের ফুটপাতে বিক্রি করেন। প্রতিদিন তিনি লালশাক, হেলেঞ্চা, পাটশাক, কচুশাক, থানকুনি, বরবটি, ডাটাশাক, কলমিশাক, শান্তিশাক, গাঁধাশাক, পালনশাক, তেলাকচুশাক, কলার মোচা, ডুমুর, কাগুজি লেবু সহ কমপক্ষে ২০ ধরণের শাকসবজি বিক্রি করেন। তবে দেশীয় প্রজাতির হওয়ায় বিক্রি করার জন্য তাকে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় না। আবদুল জলিল এফএনএসকে জানান, প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিকত শাকসবজির প্রচুর চাহিদা রয়েছে, আমি উৎপাদন না করলে বুঝতে পারতাম না। আমারও খুব ভাল লাগে মানুষের কাছে পুষ্টি সমৃদ্ধ কেমিক্যাল ও কীটনাশক মুক্ত টাটকা শাকসবজি তুলে দিতে পারছি। পাশাপাশি নিজেও লাভবান হচ্ছি। ক্রেতা সঞ্জয় মন্ডল এফএনএসকে জানান, আমি প্রতিদিন তার কাছ থেকে একেক ধরণের শাক নেই। এতে সপ্তাহ জুড়ে কমবেশি সব ধরণের শাক খাওয়া পড়ে। আমার মতো অসংখ্য মানুষ সন্ধ্যার পর জলিলের নিকট শাক কিনতে আসেন।