দিঘলিয়ার স্বপ্নের ভৈরব সেতু নির্মাণ হচ্ছে না নির্ধারিত সময়ে। এ সেতুর নির্মাণ কাজ আগামী ২৫ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কাজ হয়েছে মাত্র ৩.৫ শতাংশ। নানা জটিল সমস্যার কারণে কাজের অগ্রগতি হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সেতুর প্রজেক্ট ম্যানেজার প্রকৌশলী এস এম নাজমুল। সমস্যাগুলোর মধ্যে জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি রেলওয়ের ভূমি হস্তান্তর ও বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণ এবং নির্মাণ সামগ্রীর ঊর্ধ্বগতি ও কোনো ছোট সমস্যা নয়।
সেতু সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ এপ্রিল থেকে কাজের ক্ষেত্র না থাকায় নির্মাণ কাজ থেমে গেছে দিঘলিয়ার স্বপ্নের ভৈরব সেতুর। এর আগের দিন শেষ হয়েছে সেতুর তৃতীয় পিয়ার পাইল ক্যাপের ঢালাই কাজ। আর এর মাধ্যমে থমকে দাঁড়ালো ভৈরব সেতুর নির্মাণ কাজ। ইতোমধ্যে ভৈরব সেতুর পূর্ব ও পশ্চিম পারে সরকারি খাস জমির ওপরে তিনটি পিয়ারের পাইল ক্যাপ ঢালাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে ৩০ মার্চ, ১০ এপ্রিল ও ২০ এপ্রিল। বর্তমান কাজের ক্ষেত্র না থাকলেও সেতু নির্মাণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীদের বসিয়ে বসিয়ে বেতন গুণতে হবে ১৫ লাখ টাকা। আরো রয়েছে বিদ্যুৎ বিল, ইন্টারনেটসহ ভাড়া করে আনা ইকুইপমেন্ট বাবদ কয়েক লাখ টাকা। সেতুর প্রজেক্ট ম্যানেজার প্রকৌশলী এস এম নাজমুল এ প্রতিবেদককে জানান, আমাদের কাছে যেটুকু সরকারি খাস জমি ছিল তার উপর ৩০ মার্চ সেতুর ২৪ নং, ১০ এপ্রিল ২৫ নং ও ২০ এপ্রিল ১৩ নং পিয়ারের পাইল ক্যাপ ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন করেছি। বর্তমানে সেতুর কাজ করার মত কোন ক্ষেত্র নেই। তাই বসিয়ে বসিয়ে কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন গুণতে হবে। উল্লেখ্য, এর আগে গত ৬ মার্চ খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা থেকে ধারা-৪ এর
(১) উপধারা মোতাবেক আনুষ্ঠানিকভাবে ভূমি মালিকদের নোটিশ প্রদান করা হয়।