বগুড়ার শেরপুরের ঘোগা মধ্যেপাড়া গ্রামে শিমুল গাছে তুলা পারতে গিয়ে শনিবার সকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হাফিজুর ইসলাম (৬৬) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। তার মৃত্যুর জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের অপরিকল্পিত বিদ্যুতের লাইন সঞ্চালন করাকেই দায়ী করেছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, উপজেলার সীমাবাড়ি ইউনিয়নের কদিমহাসরা গ্রামের মৃত খোরশেদ তরফদারের ছেলে হাফিজুর ইসলাম গত ২ দিন আগে ঘোগা মধ্যপাড়া গ্রামের আবদুর রাজ্জাক ও জাহাঙ্গীরের সাথে শিমুলের তুলা গাছ থেকে পেড়ে দেওয়ার চুক্তিবদ্ধ হয়। সেই অনুযায়ী হাফিজুর ইসলাম শনিবার সকাল ৭টার দিকে ঘোগা মধ্যেপাড়া গ্রামে আবদুর রাজ্জাকের বাড়িতে তুলা পারতে শিমুল গাছে ওঠে। তুলা পারার একপর্যায়ে গাছ থেকে শিমুলের একটি ডাল ভেঙ্গে বিদ্যুতের তারে উপর পড়ে। হাফিজুর সেই ডাল বিদ্যুতের তার থেকে নিচে ফেলে দেয়ার চেষ্টা করলে সে সাথে সাথেই বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন হাফিজুরকে বিদ্যুতের তারে ঝুলতে দেখে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কে খবর দেয়। সকাল সাড়ে ৮টায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হাফিজুরের লাশ উদ্ধার করেন।
শেরপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর নাদির হোসেন জানান, খবর পাওয়ার পরপরই আমাদের কর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে হাফিজুরের লাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।