খুলনার দিঘলিয়ায় মেয়েলী ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবককে মারধর করে গুরুতর আহত করার ঘটনার ১১দিন পর দিঘলিয়া থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ ৫ এপ্রিল মামলার এজাহাভুক্ত এক আসামি তহিদুল খান (২০) কে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
দিঘলিয়া থানায় আহত যুবক ইমন ঢালী (১৮) ‘র মা নাসিমা বেগমের দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, গত ২০ মার্চ তার ছেলে খানজাহান আলী থানার মীরেরডাঙ্গা নিজ বাড়ি থেকে সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে দিঘলিয়া গ্রামের জনৈক শহীদের বাড়ি থেকে গরু আনার জন্য টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। বেলা আনুমানিক সাড়ে ১১ টার সময় তার ছেলে দিঘলিয়া ওয়াই এম এ’র নির্মাণাধীন ভবনের সামনে পাকা রাস্তায় পৌঁছালে পূর্ব বিরোধের জের ধরে একই গ্রামের ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা এপেক্স ওরফে আলিফ মোড়ল (২১), সজল শেখ (২৩), তহিদুল খান( ২০), রাকিব মোড়ল (২২), সাব্বির (২১), ইমন (২৩)সহ আরও ৪/৫ জন অজ্ঞাতনামা যুবক লোহার রড, হাতুড়ি, জিআই পাইপ সহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার ছেলেকে প্রতিরোধ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। তখন ইমন গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ইমনকে রাস্তা হতে ধরে নিয়ে ক্লাবের পিছনে নিয়ে তার দুই হাত-পা রশি দিয়ে বাঁধে ও গলায় রশি পেঁচিয়ে পিটিয়ে এবং বুকে আঘাত করে আহত করে।
এসময় পথচারী ও আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা ইমনকে শাসিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে এলাকাবাসী আহত ইমনকে প্রথমে দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরবর্তীতে খুলনা মেডিকেল কলেজ এবং খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। জানা যায়, মেয়েলী ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ মারামারির সূত্রপাত হয়।