বগুড়ার গাবতলীর বাগবাড়িতে এলজিইডির অধিগ্রহনকৃত সরকারি পাকারাস্তার পাশে পতিত জমিতে অবধৈভাবে বেড়া ও পাকা প্রাচীর উচ্ছেদে সহকারি কমিশনার (ভুমি) মিজানুর রহমান অভিযান চালিয়েছেন। গাবতলী উপজেলার নশিপুর ইউনিয়নের মাজবাড়ি গ্রামের মহির উদ্দীনের ছেলে আজাহার আলীসহ রাকিব হোসেন ও রাসেল মিয়া বাদী হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি অভিযোগ দেয়। এর প্রেক্ষিতে ৩ এপ্রিল রোববার সকাল থেকে স্থানিয় সরকার (এলজিইডির)’র জায়গার সীমানা নির্ধারনের জন্য বাগবাড়ি সোনাহাটা রাস্তার পাশের জমিটি সার্ভেয়ার দ্বারা মাপযোগ করা হয়। সার্ভেয়ারের সঠিক মাপযোগে দেখাযায়, এলাকার আবদুল আজিজসহ অন্যান্যরা এলজিইডির জায়গায় বাঁশের বেড়া ও ইটদ্বারা প্রাচীর তোলার চেষ্টা করছেন। গাবতলী উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) মোঃ মিজানুর রহমান অভিযান চালিয়ে এলজিইডির সীমানায় আবদুল আজিজসহ অন্যান্যরা বাঁশের বেড়া ও প্রাচীর দেয়ায় তা ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দেন। স্থানীয় লোকজন অবৈধ প্রাচীর ও বাঁশের বেড়া ভেঙ্গে ফেলার চেষ্টা করে। এ সময় আবদুল আজিজ সহকারি কমিশনার (ভুমি) মিজানুর রহমানের কাছে গিয়ে জানায়, নিজে থেকেই ৪ এপ্রিল সোমবার বাঁশের বেড়া ও প্রাচীরের ইট তুলে নিয়ে যাবেন। এ সময় উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) রিপন কুমার সাহা, স্থানীয় চেয়ারম্যান রেজ্জাকুল আমিন রোকন তালুকদারসহ এলাকায় অর্ধশত লোকজন উপস্থিত আবদুল আজিজ এই প্রতিশ্রুতি দেন। এব্যপারে সহকারি কমিশনার (ভুমি) মোঃ মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এলজিইডির জায়গায় অবৈধ বাঁশের বেড়া ও প্রাচীর নির্মানের চেষ্টাকারী আবদুল আজিজ সে নিজে থেকেই তার অবৈধ স্থাপনা খুলে নিতে রাজি হওয়ায় তাকে (আজ ২ এপ্রিল ) সোমবার পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে। সে যদি তার অবৈধ স্থাপনা খুলে না নেয়, তা হলে আমরা তা ভেঙ্গেদেব এবং তার বিরুদ্বে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবো।