খুলনার পাইকগাছা পৌর অভ্যন্তরে উপজেলা প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে লবণপানি তুলে চিংড়ি চাষের অভিযোগ উঠেছে। পৌর এলাকার বাসিন্দা খালেক নায়েব, শক্তি মন্ডল ও মাহাফুজুর রহমান কিনুর বিরুদ্ধে ওয়াপদা বাঁধ ছিদ্র করে ঘেরে লবণপানি ঢোকানোর অভিযোগ উঠেছে। পৌরসভার প্যানেল চেয়ারম্যান ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পৌর সভার প্যানেল চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান রঞ্জু ও তৌয়বুর রহমান বলেন, পৌর এলাকায় ঘেরের ভেতরে লবণপানি তুলে চিংড়ি চাষ বন্ধ ঘোষণা করেন উপজেলা প্রশাসন। এ নিয়ে স্থানীয় সাংসদ আক্তারুজ্জামান বাবু নির্দেশনায় উপজেলা আইনশৃঙ্খলা ও সমন্বয় সভায় রেজুলেশনের মাধ্যমে লবণপানি তোলা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু কয়েক দিন ধরে কয়েকজন ঘের ব্যবসায়ী রাতে ওয়াপদা ছিদ্র করে সরকারি গেটের খুলে পৌর অভ্যন্তরে লবণপানি ঢুকিয়ে চিংড়ি চাষ করছেন। এতে পৌরসভার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে মাটির ঘরবাড়ি নষ্ট হচ্ছে। অভিযুক্ত মাহাফুজুর রহমান কিনু বলেন, আমি পানি তুলিনি, কে পানি তুলেছে সেটাও আমি জানি না। আরেক অভিযুক্ত শক্তি মন্ডল বলেন, আমি পানি তোলার কল বন্ধ করে দিয়েছি। অন্য জায়গা থেকে আমার ঘেরে পানি এসেছে। থানার ওসি মো. জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পানি তোলা বন্ধ করে দিয়ে অভিযুক্তদের ডাকা হয়েছে। পাইকগাছা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপসহকারী প্রকৌশলী রাজু আহম্মেদ ও পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর বলেন, বেআইনিভাবে এলাকায় লবণ পানি ওঠানো যাবে না। যদি কেউ লবণপানি ওঠান তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।