বগুড়ার শেরপুরের পল্লীতে জমির জাল দলিল সৃষ্টি করে অন্যের দখলে থাকা জমি দখল করে নেয়ার ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠা ভূমি দস্যুদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভূক্তভোগী জমির মালিক আবদুল হাই। তিনি উপজেলা শাহ-বন্দেগী ইউনিয়নের উ”রং গ্রামের মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে।
২ এপ্রিল শনিবার বিকালে শেরপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তার লিখিত বক্তব্যে আবদুল হাই বলেন, উপজেলা উচরং মৌজার জেএলনং ৮৯, এমআরআর খতিয়ান ১৮৬, সাবেক দাগ ৫৬৭,১১৯৭ দাগে ৪১ শতক জমি। ওই জমির প্রকৃত মালিক এম আর আর খতিয়ান মূলে একই গ্রামের মৃত মহির উদ্দিন সাকিদার। মহির উদ্দিন মৃত্যকালে ২ ছেলে জামাল ও আকবরসহ ময়জান নামের একটি কন্যাসন্তান রেখে যায়। তবে মহির উদ্দিন জীবিত থাকাকালীন সময়ে ওই তফশীলে বর্ণিত সম্পত্তি কোনপ্রকার দলিল রেজিষ্ট্রি করে দেয়নাই। তাছাড়া জামাল উদ্দিন অন্যত্র বসবাসের কারণে মৃত মহির উদ্দিনের ২য় স্ত্রী চুম্বলী বিবি ওই ৪১ শতক জমি দখল করতে বিগত ২৪ এপ্রিল ১৯৬৫ সালে একটি জাল দলিল নং ৩৭৬০ সৃষ্টি করে।
পরবর্তীতে ওই জমির দলিলের দাতা হিসেবে চুম্বলী বিবি’র সৎ ছেলে আকবর ও কন্যা ময়জানকে গ্রহীতা হিসেবে দেখান। ওই বিতর্কিত জমির জাল দলিলের অস্তিত্ত সরকারের ভূমি সংশ্লিষ্ট কোন দাপ্তরিক অফিসে খুজে পাওয়া যায়নি বলে সংবাদ সম্মেলনে ভূক্তভোগী আবদুল হাই উল্লেখ করেন। বর্তমানে আমাদের ভোগদখলে থাকা ওই জমিটি গ্রাস করতে আকবর,ময়জান ও মোমিনসহ কয়েকজন কুচক্রি ব্যক্তিরা গভীর ষড়যন্ত্র ও নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে বেড়াচ্ছে। এ বিষয়ে ওইসব কুচক্রি ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ইতঃপূর্বে শেরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া রয়েছে। সম্প্রতি ওই জমির জাল দলিল সৃষ্টিকারীর মুল হোতা আবদুল মোমিনগং বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য উপস্থাপন করে ওই জমি দখলের চেষ্টা করছে। ওই ষড়যন্ত্রকারীদের অন্যায় কর্মকা- ও ভয়ভীতি থেকে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন ভূক্তভোগী আবদুল হাই।