খুলনার পাইকাছায় চাঁদখালী ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মাদক কারবারীদের সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার চাঁদখালী মশিউর রহমান (৩২) নামে এক যুবককে গাঁজা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ। ৩০ মার্চ দুপুরে চাঁদখালী ইউনিয়নে মৃত মো. মনির উদ্দিন গাজী ছেলে মো. মশিউর রহমান প্রেসক্লাব পাইকগাছায় উপস্থিত হয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তাকে গাঁজা দিয়ে চাঁদখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও তাহার লোকজন মারপিট করে পুলিশে সোপর্দ করে। সে একজন নিরীহ মানুষ এবং ইয়াস মানবাধিকার সংস্থার খুলনা জেলার পরিদর্শক (ক্রাইম তদন্ত) হিসেবে কর্মরত। তাছাড়া চাঁদখালী ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাবেক সাংগাঠনিক সম্পাদক। সে চাঁদখালী অবৈধ কাঠ কয়লা, মাদক কারবারী, ভূমিদস্যু সহ অবৈধ চুল্লি¬ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে স্টাটার্সসহ সাংবাদিকদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করেন। ওই কারণে গত ১৯ মার্চ চাঁদখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহজাদা ইলিয়াস এর চাচাত ভাই জিয়াউর রহমান ওরফে কমল জিয়াসহ তাহার সহযোগী আরো ৪/৫ জনের কাছে সে লাঞ্চিত হন। যাহার কারণে সে বাধ্য হয়ে পাইকগাছা থানায় তাহাদের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের কারণে তার উপর ক্ষীপ্ত হইয়া ওই ব্যক্তিরা তাকেসহ তার পরিবারের সদস্যদের ভয়-ভীতি হুমকিসহ মাদক দিয়ে মামলায় ফাঁসানোর কথা এলাকায় আষ্ফোলন করিতে থাকে। ইহার ধারাবহিকতায় গত ২২মার্চ সকাল আনুমানিক সাড়ে ১১টার সময় তাকে চাঁদখালী ইউনিয়স্থ আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের নিচে মজিদের চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলো। সেই সময় তাদের গ্রামের স্থানীয় মৃত আছমত আলী সরদারের ছেলে মুছাল সরদার তাকে মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিয়ে তাকে চাঁদখালী বাজার সংলগ্ন কপোতাক্ষ নদের চরে ডাকে। তাতে আমি রাজী না হওয়ায় কিছুক্ষণ পর কুদ্দুস গাজীর পুত্র মহিত গাজী তাকে ডেকে নিয়ে চাঁদখালী মাছ কাটায় নিয়ে যায় এবং সেখানে নিয়ে জব্বার শেখের পুত্র শাহাজাদা, সবুর সরদারের পুত্র হাবিবুর, কাদেরের পুত্র রায়হান, কিনুর পুত্র শুকুর, মৃত আসমত এর পুত্র মুছাল সরদার তাকে বেদম মারপিট করে আহত করে। একই সাথে তার ব্যবহৃত টার্চ মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ভেঙ্গে ফেলে। পার্শ্ববর্তী আজিজের চা এর দোকানে নিয়ে ছাগলের দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখে। কিছুক্ষনপর বাঁধা অবস্থায় তাকে টেনে হেচড়ে মারতে মারতে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়। পরিষদে নেওয়ার পর চেয়ারম্যানের নিকট তাকে হস্তান্তর করে। তখন চেয়ারম্যান জানতে চান কি হইছে, বলে তাহার কাছে গাঁজা আছে। চেয়ারম্যান নিজ হাতে তার সমস্ত শরীর চেক করিয়া কোনো গাঁজা না পাওয়ায়, বলেন এর কাছে তো কোনো গাঁজা নাই। তখন রায়হান ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের বাহির থেকে এক টুবলা গাঁজা আনিয়া চেয়ারম্যানকে দেখায় এই তাহার গাঁজা। ইউপি চেয়ারম্যানের ছত্রছায়ায় মাদক কারবারীরা গাঁজা দিয়ে তাকে পুলিশের নিকট সোপর্দ করে। এ বিষয়ে দৈনিক ভোরের পাতা সহ বার্তাসংস্থা, বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় সরেজমিনে তদন্ত প্রতিবেদন খবর প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলো তার সহ মানবাধিকার কর্মী কৃষ্ণপদ গাইন দাকোপ ও শ^শুর কামরুল ইসলাম। তার আকুতী ন্যায় বিচারসহ সংশ্ল¬ষ্ট প্রসাশনের দৃষ্টি আকর্ষণ ও অবৈধ চুল্লি,¬ মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার। চেয়ারম্যান শাহজাদা ইলিয়াস এর চাচাত ভাই কমল জিয়া এ বিষয় সম্পৃকর্তা নেই বলে জানান। তবে সে তার পরিচয় পত্র দেখতে চেয়ে ছিলেন বলেন এবং ন্যায় বিচারে দাবী জানান।