বেনাপোল স্থলবন্দরের হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন দখলে নিতে বন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক নেতারা ও বহিরাগত একটি দল সোমবার সকালে বন্দর এলাকায় শতাধিক শক্তিশালী হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এ ঘটনা বেনাপোল বন্দরে আমদানি রফতানি ও লোড-আনলোড বন্ধ হয়ে যায়।
মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) সকাল ১০ টা থেকে আমদানি-রফতানি ও লোড-আনলোড সকল কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে। সকাল ১১ টা পর্যন্ত সময়ে ৫০ ট্রাক আমদানিকৃত পন্য ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
উল্লেখ্য গতকাল সকাল ১১ টার দিকে বেনাপোল বন্দরের শ্রমিক ইউনিয়ন দখলকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও বোমাবর্ষণের ঘটনা ঘটে।এ সময় দূর্বৃত্তরা প্রায় শতাধিক বোমাবর্ষণ করে। এতে বোমার আঘাতে ১ জন পুলিশসহ ৭ জন শ্রমিক আহত হয়।
৯২৫ শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক অহিদুজ্জামান অহিদ জানান, বর্তমানে শ্রমিকরা বন্দরে শান্তির সাথে কাজ করে আসছে। কিন্তু একটি পক্ষ তা ভালভাবে না নিয়ে ষড়যন্ত্র করে বন্দরের সুন্দর পরিবেশ নষ্ট করতে চাইছে। এ ঘটনায় গতকাল বন্দরে লোড-আনলোড ও আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকলেও আজ সকাল থেকে শ্রমিকরা পুরোদমে কাজ শুরু করেছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্মা (ওসি) কামাল হোসেন ভূইয়া জানান, গতকাল বন্দরে বোমাবর্ষণের ঘটনায় থানায় ৩৬ জনের নামে একটি মামলা হয়েছে। এবং ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি গতরাতে বন্দর এলাকা থেকে একটি প্রাইভেটকারসহ একটি বিদেশী পিস্তল ৫ রাউন্ডগুলি ও ৪টি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় বন্দর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) আবদুল জলিল জানান, গতকাল বন্দরের দখলকে কেন্দ্র করে বন্দরে দুটি শ্রমিক সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বন্দরে লোড-আনলোড ও আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকে। মঙ্গলবার সকাল থেকে পুনরায় আমদানি-রফতানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।