খুব দ্রুতই প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ও টিকার আওতায় আনা হবে। স্কুল কলেজ খুলে দিয়েছি সঙ্গে সঙ্গে তাদের সুরক্ষার কথাও আমাদের একান্তভাবে চিন্তা করা দরকার এবং আমরা তা করবো বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনা।
৩ মার্চ বৃহস্পতিবার রজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ,বিজ্ঞানী, গবেষক এবং বিজ্ঞন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ, এনএসসি ফেলোশিপ এবং বিশেষ গবেষণা অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ১২ বছর পর্যন্ত দিচ্ছি। আরও অল্প বয়সের শিশুদের জন্য টিকা দেওয়ার অনুমতির জন্য ইতোমধ্যে ডব্লিউএইচও’র কাছে আবেদন করা হয়েছে। আমার মনে হয় এটা এসে যবে। কাজেই আমরা তখন মনে হয় সবাইকে টিকা দিতে পারবো। যদি ৭-৮ বছর থেকে বা ১০ বছর থেকে টিকা দিতে পারি তাহলে আমাদের প্রাইমারিতে আর কোনও অসুবিধা হবে না। তারা নিশ্চিন্তে স্কুলে যেতে পারবে।
তিনি বলেন, দেশকে এমনভাবে গড়তে চাই, যেন সবাই প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন হয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, গবেষণা না থাকলে আজকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারতাম না। এজন্য আমি গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেই। বিশেষ করে বিজ্ঞান মেডিক্যাল সায়েন্সের গবেষণা। মিডিকেলের ওপর আমাদের গবেষণা কিছুটা কম। সেখানে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। বেশিকরে আমাদের গবেষণা করতে হবে। গবেষণাই পারে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দেশকে প্রযুক্তি নির্ভর করে গড়ে তুলতে চাই। প্রত্যেক মানুষের নূন্যতম প্রযুক্তিজ্ঞান থাকুক, সেটাই চাই। দেশের প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ করোনার টিকা পেয়েছেন, এখন সবাইকে টিকা নিতে হবে। এর আগে আমি মানুষের মধ্যে অনীহা দেখেছি। কিন্তু এখন সকলের ভিতর আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।