কেন্দ্রিয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেছেন, বগুড়ার গাবতলী বিএনপির এলাকা হলেই যে জনগনকে বিএনপি করতে হবে, তা নয়। গাবতলী এখন আওয়ামী লীগ অনেক শক্তিশালি সংগঠন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ছিল পাকিস্থানের এজেন্ট, তিনি যুদ্ধের সময় জাহাজ থেকে অস্ত্র খালাশের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি বিএনপির সমালোচনা করে আরো বলেন, জিয়ার শাসনামলে ৭৫ সালে আইন করে দেশের নারী, শিশুসহ বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বন্ধ করা হয়ে ছিল। জিয়া সরাসরি বঙ্গবন্ধুর হত্যার সাথে জড়িত না থাকলেও, জিয় বঙ্গবন্ধুর হত্যার নীল নকশার সাথে জড়িত ছিলেন। জিয়া অস্ত্র ঠেকিয়ে ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছিল। তিনি আরো বলেন, খালেদা জিয়ার শাসানামলে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান হাওয়া ভবন থেকে এত দুর্নিতী করেছিল, দেশ ৫ বার বিশ্বে দুর্নিতীতে চ্যাম্পিয়রন হয়েছিল। এস এম কামাল হোসেন আরো বলেন, বিএনপি জনগনকে ভয়পায় বলে তারা নির্বাচনে আসতে চায়না। তিনি সরকারের ব্যাপক উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ৫৫১ টি অধুনিক মসজিদ, গরীব অসহায়দের ঘর ও বাসস্থানসহ করোনায়র মধ্য ব্যাপক অনুদান দিয়েছেন। সেজন্য শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই। শেখ হাসিনার বিকল্প শুধু শেখ হাসিনাই। তিনি গাবতলীতে আওয়ামীলীগকে শক্তিশালি ও সু-সংগঠিত করতে সকল নেতাকর্মীকে একজোটে কাজ করার আহবান জানান। তিনি ২৭ ফেব্রয়ারী রোববার বগুড়ার গাবতলী পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপর্যুক্ত কথাগুলো বলেন। উপজেলা আ.লীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) আবদুস সালাম ভুলনের সভাপতিত্বে সম্মেলন উদ্বোধন করেন, বগুড়া জেলা আ.লীগের সভাপতি মোঃ মুজিবুর রহমান মজনু, বিশেষ অতিথিথির বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রিয় আ.লীগের সদস্য মোঃ সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম, প্রধান বক্তা ছিলেন, বগুড়া জেলা আ.লীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ রাগেবুল আহসান রিপু, গাবতরী উপজেলা আ.লীগের সাধারন সম্পাদক মোস্তফা আবদুর রাজ্জাক মিলুর সঞ্চালনায় সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি টিএম মুসা পেস্তা, মুকুল হোসেন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আসাদুর রহমান দুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড, জাকির হোসেন নবাব, শাহাদৎ আলম ঝুনু, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুলতান মাহমুদ খান রনি, গাবতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রফি নেওয়াজ খান রবিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এ সময় কেন্দ্রিয় জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। প্রথম অধিবেশনের জেলা আ.লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান মজনু, গাবতলী উপজেলা কমিটি বিলুপ্ত করেদেন। দ্বিতিয় অধিবেশনে কমিটি ঘোষনা করার কথা থাকলেও, অনিবাযর্ কারনে তা ঘোষনা করা হয়নি। পরবর্তিতে এই কমিটি ঘোষনা করা হবে বলে দলিয় সুত্রে থেকে জানাগেছে।