বগুড়ার শেরপুরে নিজেকে হাইকোর্টের ব্যারিস্টার পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করায় ২২ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মোজাম্মেল হক ওরফে রানা (৩৫) ও রঞ্জু মন্ডল (৩৪) কে আটক করেছে পুলিশ।
অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার কুসুম্বী ইউয়িনের ধাওয়াপাড়া গ্রামে আনিসুর রহমানের ছেলে রুবেল হাসানের গত ৬ মাস পূর্বে নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার সোয়াইড বালাল গ্রামের ওসমান আলীর ছেলে মোজাম্মেল হক ওরফে রানা ও শেরপুর উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামের মৃত আবদুল খালেকের ছেলে আবু বকর সিদ্দিক ওরফে রাজু মন্ডলের পরিচয় হয়। পরিচয়ের সময় মোজাম্মেল হক রানা নিজেকে হাইকোর্টের ব্যারিস্টার পরিচয় দেয়। এরই একপর্যায়ে গত ১১ ডিসেম্বর জমিজমার কাগজ ঠিক করে দেয়ার কথা বলে রুবেলে কাছ থেকে প্রথমে ২ লাখ টাকা নেয়। পরের দিন চলমান মামলার রায় করে দেয়ার কথা বলে ধাওয়াপাড়া গিয়ে আরো ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে সঠিক কাগজপত্র না দিয়ে সে পালিয়ে যায়।
এর আগে রুবেল হাসানের চাচাতো ভাই ফারুক হোসেনের কাছ থেকে পারিবারিক সমস্য সমাধানের কথা ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় রুবেল হাসান বাদি হয়ে শেরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করলে গত ২২ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার রাত ৮ টার দিকে শেরপুর পৌরশহরের রেজিস্ট্রি অফিস বাজার এলাকা থেকে এক সহযোগীসহ তাকে আটক করে থানা পুলিশ।
শেরপুর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) সাচ্চু বিশ্বাস বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ওই দুজনের মধ্যে মোজাম্মেল হক ওরফে রানা নিজেকে হাইকোর্টের ব্যারিস্টার পরিচয় দিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের জমিজমার কাজ করে দেওয়ার নাম করে টাকা নিতেন। তার সহযোগী রঞ্জু মন্ডল এই ভুয়া ব্যারিস্টার পরিচয়দানকারীকে সহযোগিতা করতো।
এ ব্যাপারে শেরপুর থানার অফিসার ইনাচার্জ শহিদুল ইসলাম বলেন, গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এই ভুয়া ব্যারিস্টার সহ তাঁর আরেক সহযোগীর নামে মামলা করা হয়।