বগুড়ার শেরপুরের কুসুম্বী ইউনিয়নের টাকা দিতে না পাড়ায় ৪০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্প থেকে নাম কেটে দিয়ে নতুন লোককে কাজ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম ও আবদুর রাজ্জাক রাজেকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ২২ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহি অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগিরা।
জানা যায়, উপজেলার কুসুমাবী ইউনিয়নের বাসিন্দা হতদরিদ্র মরিয়ম খাতুন(কার্ড নং ১২২), রওশন আরা (কার্ড নং ১২৭), মর্জিনা খাতুন (কার্ড নং ১৪০), দেলোরা খাতুন (কার্ড নং ১৫৩), আবদুর রশিদ (কার্ড নং ১৬২), আরজিনা খাতুন (কার্ড নং ১৫৫) সহ ১৪ জন শ্রমিক পূর্বে থেকেই ৪০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্পে কাজ করে আসছিল। সদ্য সমাপ্ত ইউনিয়ন নির্বাচনে জয়লাভ করা কুসুম্বী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. সিরাজুল ইসলাম ও ৯ নং ওয়ার্ডের সদস্য আবদুর রাজ্জাক রাজেক তাদের কাছ থেকে ৩ হাজার করে টাকা চায়। সেই টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের নাম কেটে নতুন লোকের নাম দিয়ে কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ সম্পাদন করছে। এতে হতাশার মধ্যে পড়েছে হতদরিদ্র ওই শ্রমিকরা। এ ঘটনায় ২২ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেলে ওই দুই ইউপি সদসের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহি অফিসারের কাছে লিখিত অভিযাগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগিরা।
এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম বলেন, এই এলাকায় আরো গরীব মানুষ আছে। তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার কারণে পুরাতন কিছু শ্রমিকের নাম বাদ দেয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহি অফিসার মো. ময়নুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।